পরিচ্ছনতা অভিযানের সময় শিক্ষিকার নির্দেশে সাত শিশুর চুলের গোছা কেটে দিয়েছেন দপ্তরী। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা। শিশুদের মনে দেখা দিয়েছে ভয়।
বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার ফুলকোট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমন ঘটনা ঘটে।
এক অভিভাবক জানান, তার নাতি জোবায়ের রহমান অন্তর ওই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। বুধবার স্কুল থেকে কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি এসে বলে, মাথার চুল বড় দেখে দপ্তরী কেটে দিয়েছে।
এ ছাড়া চতুর্থ শ্রেণির রাব্বী, পারভেজসহ আরো ছয় শিশুর চুল কেটে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
ক্ষোভ প্রকাশ করে জোবায়ের রহমান আরো বলেন, মাথার সামনের দিকের চুল এমনভাবে কেটে দেওয়া হয়েছে যে ন্যাড়া করা ছাড়া উপায় নাই।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহমুদা ফাতেমা মেজবাউলা খাতুন চুল কাটার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার সময় তিনি বিদ্যালয়ে ছিলেন না। পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য সহকারী শিক্ষিকা শিরিন আকতার দপ্তরী মোস্তাফিজার রহমান মিন্টুকে দিয়ে শিক্ষার্থীদের চুল কেটে দিয়েছে বলে জানতে পারি।
তিনি জানান, এ ঘটনায় কয়েকজন অভিভাবক ও বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য এসেছিলেন। সেসময় সহকারী শিক্ষিকা শিরিন আকতার ভুল স্বীকার করায় আপস মিমাংসা হয়ে গেছে।
বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম বিমান জানান, বিষয়টি তার জানা ছিল না। অভিভাবকরা তাকে ফোনে জানিয়েছেন। ব্যক্তিগত কাজে জেলার বাইরে থাকায় এর বেশি কিছু জানি না।
এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা শিক্ষা অফিসার জহুরুল আলম জিসান জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
