বৃষ্টি উপেক্ষা করে কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নামাজ শেষে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি-শান্তি কামনায় মোনাজাত পরিচালনা করেন ইমাম মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ।
বুধবার সকাল ১০টায় ঈদ জামাত শুরু হওয়ার কথা থাকলেও প্রবল বৃষ্টির কারণে সময় মতো জামাত করা সম্ভব হয়নি। বেলা ১১টা ১০ মিনিটের দিকে ঈদ নামাজের মোনাজাত শেষ হয়।
খোলা আকাশের নিচে বৃষ্টিতে ভিজেই নামাজে অংশ নিয়েছেন অনেকে।
এদিকে ঈদ জামাতকে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ রাখতে পুরো শহরকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় সব ধরনের যানবাহন চলাচল। ফলে মুসল্লিদের হেঁটে শোলাকিয়া মাঠে যেতে হয়। শোলাকিয়া মাঠ ও আশপাশের এলাকায় কার্যকর করা হয় চারস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
শোলাকিয়ায় ঈদ জামাতে এবার পাঁচ প্লাটুন বিজিবি, এক হাজার ২০০ পুলিশ, ১০০ র্যাব, এপিবিএন ও বিপুল সংখ্যক আনসার সদস্যের সমন্বয়ে নিশ্চিদ্র ও কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের পাশাপাশি মাঠে সাদা পোশাকে নজরদারি করে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা।
এছাড়াও মাঠসহ প্রবেশ পথগুলোতে বসানো সিসি ক্যামেরা ও ১২টি ওয়াচ টাওয়ার। এবার সুর্নিদিষ্ট ৩২টি গেট দিয়ে দেহ তল্লাশির পর মাঠে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় মুসল্লিদের। নজদারিতে আকাশে টহল দিয়ে বেড়ায় ড্রোন ক্যামেরা। মাঠের নিরাপত্তায় প্রস্তুত রাখা হয় মাইন সুপিং ও বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল।
কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী বলেন, “নিরাপত্তার কড়াকড়ির পরও এবার চার লক্ষাধিক মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।”
