দিনাজপুরের বীরগঞ্জের আত্রাই নদীর উপর ঝাড়বাড়ী-জয়গঞ্জ খেয়াঘাটে সেতুর দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
বুধবার ঈদের দিন বীরগঞ্জ ও খানসামা উপজেলার ঝাড়বাড়ী-জয়গঞ্জ আত্রাই নদীর উপর জয়গঞ্জ খেয়াঘাটে সেতু নির্মাণের দাবিতে ঝাড়বাড়ী-জয়গঞ্জ খেয়াঘাট সেতু বাস্তবায়ন কমিটি'র উদ্যোগে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা জেলার পিবিআই সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল হাই সরকার। ঝাড়বাড়ী-জয়গঞ্জ খেয়াঘাট সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক শেখ মো. জাকির হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক মো.আবু বক্কর সিদ্দিকসহ অনেকে।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন- ঘাসফুল সংস্থার নির্বাহী পরিচালক তাসমি আল বারি, শতগ্রাম ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রাকিব হোসেন, মো. রাশেদ ইসলাম, মামুনসহ কয়েক শতাধিক বাসিন্দা।
এ সময় পুলিশ সুপার আব্দুল হাই সরকার বলেন, “এখানে সেতু নির্মাণ হলে এই এলাকার নীলফামারী-ঠাকুরগাঁও সরাসরি বাস চালু হবে এবং শিক্ষা, চিকিৎসা সেবা, বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন হবে।
কমিটির আহ্বায়ক শেখ মো. জাকির হোসেন বলেন, “এই নদীর উপর একটি বাঁশের সেতু দিয়ে চার জেলার মানুষ পারাপার হচ্ছে। সেতুটি নির্মিত না হওয়ায় দিনাজপুর বীরগঞ্জসহ পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও নীলফামারীর কয়েক লক্ষাধিক মানুষকে পারাপারের হতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।”
জানা গেছে, বর্তমানে পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলা এবং বীরগঞ্জ উপজেলার শতগ্রাম, শিবরামপুর, নিজপাড়া, গোলাপগঞ্জ ও পলাশবাড়ী ইউনিয়নের বাসিন্দাদের পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলা হয়ে বা বীরগঞ্জের দশমাইল হয়ে সৈয়দপুর শহর দিয়ে প্রায় ৪০ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে নীলফামারী যেতে হয়।
কিন্তু জয়গঞ্জ খেয়াঘাটে সেতু নির্মিণ হলে ঠাকুরগাঁও নীলফামারীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ শুরু হবে। এতে ৩০ কিলোমিটার রাস্তা কমে যাবে। দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার শতগ্রাম ইউনিয়নের ঝাড়বাড়ী চৌরাস্তা মোড় থেকে আত্রাই নদী পার হয়ে র্পূব দক্ষিণে নীলফামারী ১৭ কি.মি. আর আত্রাই নদীর পশ্চিমে ঠাকুরগাঁও ২২ কি.মি.।
