ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আজমান (১১) নামে এক শিশু গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার ঘটনা নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে।
বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে সদর উপজেলার চিলোকূট এলাকায় নানার বাড়ি থেকে আজমানের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজমান জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার আড়াইসিধা ইউনিয়নের আড়াইসিধা গ্রামের ইমরান মিয়ার ছেলে। পুলিশের ধারণা, ঘটনাটি আত্মহত্যা নয়। সে জন্য মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
আজমানের নানি মেহেরা বেগমের বরাত দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুর রহমান জানান, গত এক মাস ধরে আজমান তার নানির সাথে চিলোকূট গ্রামে বসবাস করে আসছে। বুধবার শিশুর মাথাকাটা লোকের কথা শুনে সে ভয়ে পেয়েছিল। পরে বাড়ি ফিরে দুপুরের খাবার খেয়ে সে তার নিজ ঘরের দরজা বন্ধ করে বেশি সাউন্ডে টিভি দেখছিল। সন্ধ্যায় নানি মেহেরা বেগম ঘরের দরজা খুলে দেখেন লুঙ্গি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় আজমান ঝুলে আছে।
তিনি আরও জানান, আজমানের মরদেহ দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাতে আমরা বিষয়টি জানতে পেরে সন্দেহজনক মনে হওয়ায় ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছি। মরদেহে আলামত দেখে ঘটনাটি আত্মহত্যার বলে মনে হচ্ছে না।
বৃহস্পতিবার বিকেলে এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করা হয়েছে। এখনো ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়নি। আমরা অপেক্ষা করছি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
