যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিশংসন করতে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে বিদেশি সাহায্য চেয়েছেন এমন অভিযোগ উঠেছে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে।
প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার শীর্ষ ডেমোক্র্যাট ন্যানসি পেলোসি বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্টকে অবশ্যই জবাবদিহিতার মধ্যে আসতে হবে।’
অবশ্য নীতিবহির্ভূত কোনো কিছু করার অভিযোগ অস্বীকার করে ট্রাম্প এই পদক্ষেপকে ‘অনর্থক’ বলে মন্তব্য করেছেন।
বিবিসি জানায়, ট্রাম্পকে অভিশংসন করার বিষয়ে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে শক্তিশালী সমর্থন রয়েছে। যদি তদন্তের পর অভিশংসনের বিষয়টি এগোতেও থাকে, কিন্তু রিপাবলিকান সংখ্যাগরিষ্ঠ সিনেটে তা পাস হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
একজন গোয়েন্দা তথ্য ফাঁসকারী ট্রাম্প এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে একটি ফোনালাপের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করলে এনিয়ে বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ওই ফোনালাপে তাদের দুজনের মধ্যে কী কথা হয়েছে সেটা স্পষ্ট নয়। তবে ডেমোক্র্যাটদের অভিযোগ, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং তার ছেলে হান্টারের দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে ইউক্রেনকে চাপ দিতে সামরিক সহায়তা স্থগিতের হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প।
জেলেনস্কির সঙ্গে ফোনালাপের বিষয়টি স্বীকার করলেও ট্রাম্প বলেন, সামরিক সহায়তা স্থগিতের হুমকি দিয়ে তিনি কেবল ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে সহায়তা বাড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন।
প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যানসি পেলোসি বলেছেন, ট্রাম্প ‘আইন লঙ্ঘন করেছেন’ এবং তার এ কর্মকাণ্ড ‘সাংবিধানিক দায়িত্বের বরখেলাপ’।
তিনি বলেন, ‘ট্রাম্প এ সপ্তাহে স্বীকার করেছেন তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে এমন পদক্ষেপ নিতে বলেছেন যা তাকে রাজনৈতিকভাবে লাভবান করে। প্রেসিডেন্টকে অবশ্যই জবাবদিহিতার মধ্যে আসতে হবে।’
