কারাবন্দী বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে পরিকল্পিতভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরিকল্পিতভাবে সত্য গোপন করেছে বলে অভিযোগ করেছে ড্যাব ।
বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি সমর্থক চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) এই অভিযোগ করে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ড্যাবের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. আবদুস সালাম বলেন, বিএসএমএমইউতে খালেদা জিয়ার সঠিক চিকিৎসা না হওয়ায় এবং সেখানে স্বাভাবিক পরিবেশ না থাকায় বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিয়েছে। ড্যাব সদস্যরা মনে করেন ষড়যন্ত্র মূলকভাবে খালেদা জিয়াকে তিলে তিলে নিঃশেষ করার অপপ্রয়াসে তার স্বাস্থ্য নিয়ে অসত্য সংবাদ পরিবেশন করেছে বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ। যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
তিনি বলেন, সবাই জানেন খালেদা জিয়া চরম অসুস্থতায় ভুগছেন। আসলে তিনি ধীরে ধীরে পঙ্গুত্বের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। তার যথাযথ চিকিৎসা না দিলে এই অবস্থা স্থায়ী রূপ নিতে পারে। অথচ বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ সরকারের অশুভ ইশারায় জাতিকে বিভ্রান্ত করতে এবং খালেদা জিয়ার প্রাপ্য জামিন ভন্ডুল করতে সত্য গোপন করছেন। সংবাদ সম্মেলনে বিএসএমএমইউ’র পরিচালক ও খালেদা জিয়ার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের প্রধান পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন, যা খুবই দুঃখজনক।
ডা. আবদুস সালাম বলেন, দেশের জনগণ দেখেছেন যে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া গাড়ি থেকে নেমে নিজে পায়ে হেঁটে জেলখানায় প্রবেশ করেন। প্রথমবার যখন বিএসএমএমইউতে আসেন, তখন গাড়ি থেকে নেমে নিজে লিফট পর্যন্ত হেঁটে যান। সময়ের পরিক্রমায় তিনি কেন আজকের অবস্থায় উপনীত হলেন সে প্রশ্ন জাতির কাছে। তিনি সুচিকিৎসা পেলে এমন অবস্থা হতো না।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএসএমএমইউ-এর সাবেক প্রো-ভিসি ডা. এমএ মান্নান, ড্যাবের সাবেক আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ, ড্যাবের সিনিয়র সহসভাপতি ডা. এমএ সেলিম প্রমুখ।
