বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন সাতক্ষীরার উপকূলীয় অঞ্চল

আপডেট : ১১ নভেম্বর ২০১৯, ০১:১৩ পিএম

বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে সাতক্ষীরার উপকূলীয় অঞ্চল। আশ্রয় কেন্দ্র থেকে যারা বাড়ি ফিরেছে রবিবার রাত তাদের অন্ধকারে কেটেছে। তিন দিন ধরে বিদ্যুৎবিহীন এ অবস্থা চলছে।

আলোর সংকট ও মোবাইল যোগাযোগহীন হয়ে পড়েছে শ্যামনগর, আশাশুনি, কালিগঞ্জ ও দেবহাটা উপজেলার মানুষ। বিদ্যুৎহীন এ অবস্থার কথা জানিয়েছেন শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ’র পিযুষ বাউলিয়া পিন্টু, কালিগঞ্জের সুকুমার দাশ বাচ্চু, দেবহাটার খায়রুল ইসলাম ও আশাশুনির কৃষ্ণ ব্যানার্জি।

পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের পাটকেলঘাটা সাতক্ষীরার জেনারেল ম্যানেজার রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, ‘শ্যামনগর, আশাশুনি, কালিগঞ্জ ও দেবহাটা উপজেলায় অন্তত ১২১টি বিদ্যুতের খুঁটি পড়ে গিয়েছে।

এছাড়া পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের অন্তত ২ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এগুলো মেরামত করে বিদ্যুতের স্বাভাবিক অবস্থা ফেরাতে আরও দুই দিন লাগবে।

এদিকে, রাস্তার উপরে পড়ে থাকা গাছ অপসারণ করে সেনাবাহিনী ও স্থানীয় জনগণ যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতে একদিন পর সাধারণ মানুষ স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করেছে। নৌবাহিনীর একটি ত্রাণবাহী জাহাজ শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন গাবুরা দ্বীপের খোলপেটুয়া নদীতে অবস্থান করছে।

এদিকে, প্রশাসনের উদ্যোগে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

সাতক্ষীরা জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল জানান, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় এলাকার মানুষকে সহায়তার জন্য নগদ ১৭ লাখ টাকা ও ৫০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, বুলবুলের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকা শ্যামনগর, কালিগঞ্জ ও আশাশুনির ১৭ হাজার ঘরবাড়ি অধিক বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া উপকূলীয় এলাকার ৫ হাজার ৭১৯ হেক্টর চিংড়ি ঘের ও ২৭ হাজার হেক্টর জমির ফসল ইতোমধ্যে নষ্ট হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত