বিয়েবাড়িতে নাচ থামিয়ে দেয়ায় এক তরুণীকে গুলি করা হয়েছে। প্রাণে বেঁচে গেলেও গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এনডিটিভি জানায়, ভারতের উত্তরপ্রদেশের চিত্রকূটে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় এক বিয়ের আসরে নাচছিল দুই তরুণী। ঘরোয়া সেই আসরে তাদের ঘিরে মদ্যপানে মাতাল অতিথিরা। কোনো কারণে নাচ থামিয়ে দিয়েছিল এক তরুণী।
নাচ থামতেই ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে অতিথিরা। প্রথমে ওই তরুণীকে নাচ শুরু করা হুমকি দেয় তারা। এরপরেও নাচ শুরু না হওয়ায় বন্দুক বের করে ধামকি দিতে থাকে। একপর্যায়ে তরুণীর চেহারা বরাবর গুলি চালিয়ে দেয় একজন।
এই ঘটনার একটি ভিডিও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি ভাইরাল হয়েছে।
এক মিনিটের ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, বিয়েতে নাচের একটি দলকে আমন্ত্রণ করা হয়। সেখানেই দলের এক নর্তকী নাচ থামালে বিরক্ত হয়ে ওঠে উপস্থিত কয়েকজন।
এক পুরুষ কণ্ঠ হুমকি দিয়ে বলে, নাচ থামলে গুলি চলবে। সঙ্গে সঙ্গে আরেক মাতাল পুরুষ কণ্ঠ তাকে সায় দিয়ে বলে, ‘সুধীর ভাই আপনি গুলি চালিয়েই দিন।’
এই কথা শেষ হতে না হতেই পেছন থেকে গুলি চলে নর্তকীকে লক্ষ্য করে। তরুণীর চেহারা বরাবর ওই গুলি লাগে। তখন মুখে হাত দিয়ে বসে পড়েন তিনি।
ঘটনার আকস্মিকতায় উপস্থিত সবাই স্তব্ধ হয়ে যায়। জানা যায়, গত রবিবার একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে ঘটেছে ওই ঘটনা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ওই গ্রামের প্রধানও।
গুরুতর আহত অবস্থায় ওই তরুণীকে কানপুরের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এই ঘটনার জেরে অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা অঙ্কিত মিত্তাল বলেন, ‘আমরা অভিযুক্তকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছি। অপরাধীকে বিচারের অধীনে আনার সমস্ত চেষ্টা চালাচ্ছি আমরা।’
