শেষ দশ বছরের স্মরণীয় ছয়টি ম্যাচের তালিকা করতে গিয়ে ক্রিকেট বিষয়ক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকইনফো নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের একটি ম্যাচকে নির্বাচন করেছে। নামকরা এই পোর্টালের প্রতিনিধি এবং লেখকেরা তালিকাটি করেছেন।
বাংলাদেশের ওই ম্যাচটি ২০১০ সালের। কিউইদের বিপক্ষে ঢাকায় চতুর্থ ওয়ানডেতে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা সেদিন ৯ রানে জয় পান। কোনো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে এদিনই প্রথম সিরিজ জেতে টিম টাইগার্স।
দশকসেরা ম্যাচের তালিকা করতে গিয়ে ক্রিকইনফো বিশেষ একটি দিকে নজর দিয়েছে। সংবাদমাধ্যমটি এমন একটি ম্যাচ নির্বাচন করতে চেয়েছে, যেটি দিয়ে সংশ্লিষ্ট দেশ নিজেদের ইতিহাস বদলেছে, বিশ্বক্রিকেটকে দিয়েছে নতুন মাত্রা।
সেবার কিউইরা যখন খেলতে আসে, তখন বাংলাদেশের বিপক্ষে তাদের রেকর্ড ছিল ১৭-১। ছিলেন না নিয়মিত অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। ছিলেন না তামিম ইকবাল। এমন পরিস্থিতিতে নতুন ইতিহাস লেখা হয় ২৩ বছরের সাকিব আল হাসানের হাতে।
সাকিব প্রথম দুই ম্যাচে ভালো করার পর তৃতীয় ম্যাচে সেঞ্চুরি হাঁকান। ৪৪ রানে ৩ উইকেট পড়ে গেলেও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে বেরিয়ে যান। বাংলাদেশ পায় ২৪১ রানের সংগ্রহ। এরপর বল হাতে ৫৪ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট।
পাঁচ ম্যাচের ওই সিরিজে নিউজিল্যান্ড একটিতেও জিততে পারেনি। প্রথম ম্যাচে ডিএল মেথডে স্বাগতিকেরা ৯ রানের জয় পায়। দ্বিতীয় ম্যাচে একটি বলও মাঠে গড়াতে পারেনি। সেটি বাতিল হওয়ার পর তৃতীয় ম্যাচে আসে ৭ উইকেটের জয়। চতুর্থ ম্যাচে ৯ উইকেটের জয়ে সিরিজ নিশ্চিত হয়। শেষ ম্যাচে আসে ৩ রানের জয়।
ক্রিকইনফোর তালিকায় প্রথম স্থানে আছে ২০১৯ সালের বিশ্বকাপ ফাইনাল।
দ্বিতীয় স্থানে ভারত-অস্ট্রেলিয়ার একটি টেস্ট। ২০১০ সালে মোহালির সেই ম্যাচে ১ উইকেটের নাটকীয় জয় পায় ভারত। তৃতীয় স্থানে বাংলাদেশ।
চার নম্বরে পাকিস্তান-দক্ষিণ আফ্রিকার একটি ওয়ানডে। সেটিও ২০১০ সালের। আবু ধাবিতে সেই ম্যাচে ১ বল হাতে থাকতে ১ উইকেটে জয় পায় পাকিস্তান।
পাঁচ নম্বরে অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের একটি টেস্ট। ২০১০ সালের সিরিজের। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে মেলবোর্নে হয় ওই ম্যাচটি। ইংল্যান্ড ইনিংস ও ১৫৭ রানে জয় পায়।
ছয় নম্বরেও টেস্ট। ইংল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০১২ সালের আগস্টে লর্ডসের ওই ম্যাচে ৫১ রানে জয় পায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
