শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির দাবিতে গতকাল শনিবার দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিকরা। এ সময় দাবি না মানলে বন্দর অচল করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। অঘোষিত ধর্মঘটের ফলে সকাল থেকে বন্ধ হয়ে যায় বন্দরে মালামাল লোড-আনলোড। বেনাপোল স্থলবন্দর প্রশাসনিক ভবনের সামনে দেড় কিলোমিটার এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন তারা।
৮৯১ ও ৯২৫-এর দুটি শ্রমিক সংগঠনের কয়েক হাজার শ্রমিক মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন তারা। এক সপ্তাহের মধ্যে মজুরি বৃদ্ধি করা না হলে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণাও দেন।
৮৯১ বন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি কলিম উদ্দিন জানান, দেশের ভোমরা, সোনামসজিদ, মোংলাবন্দরসহ অন্যান্য স্থলবন্দরে শ্রমিকদের মজুরি ৩০ টাকা ৫৩ পয়সা ধার্য করা হলেও বেনাপোল স্থলবন্দর শ্রমিকদের মজুরি এখনো মাত্র ২২ টাকা। সে ক্ষেত্রে সাধারণ শ্রমিকরা পাচ্ছেন ১৬ টাকা। প্রতি মেট্রিক টন মালামাল লোড-আনলোড করার মজুরি সর্বনিম্ন ২০ টাকা দাবি শ্রমিকদের। দাবি করা মজুরি না পেলে বন্দর অচল করে দেওয়া হবে।
কলিম উদ্দিন আরও বলেন, অল্প মজুরিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে কষ্টে আছেন তারা।
বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্র্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠকে বেনাপোল স্থলবন্দরের শ্রমিকদের মজুরি ৩০ টাকা ৫৩ পয়সা দেওয়ার কথা ছিল। তবে একটি প্রতিষ্ঠানকে কম দরে ২২ টাকায় দরপত্র দেওয়া হয়। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বেনাপোল বন্দর শ্রমিকরা।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক মামুন হোসেন জানান, বিষয়টি সমাধানের জন্য বন্দর শ্রমিকদের সঙ্গে বৈঠক করা হবে। কোনোভাবেই বন্দরে কাজ বন্ধ করতে দেওয়া হবে না।
