ইরান রাজি থাকলে শান্তি থাকলে যুক্তরাষ্ট্রও প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তিনি বলেছেন, বুধবার ভোররাতে ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কোনো সৈন্য মারা যায়নি, ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে খুবই সামান্য।
বুধবার হোয়াইট হাউজে সংক্ষিপ্ত এক বিবৃতি দেওয়ার সময় এ হামলার বদলা নেয়ার কোনো হুমকিও দেননি ডেনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরান যদি পারমানবিক অস্ত্র অর্জনের চেষ্টা বাদ দেয় এবং সন্ত্রাসের পথ ত্যাগ করে, তাহলে শান্তি স্থাপনে আমরাও প্রস্তুত।
ইরানের নতুন কোনো হামলা চালানোর সম্ভাবনা নাকচ করে দেওয়াকে 'ইতিবাচক' অভিহিত করেন ট্রাম্প।
তিনি বলেন, তারা যে ক্ষান্ত দিয়েছে সেটা সবার জন্যই মঙ্গল।
এর আগে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দিলেও বুধবার তার কিছুই ট্রাম্প বলেননি।
সাংবাদিকদের সামনে তার সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেন, তিনি যতদিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট থাকবেন ইরানকে পারমানবিক অস্ত্র অর্জন করতে তিনি দেবেন না।
তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে তিনি নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের নির্দেশ দেবেন যা ততদিন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে যতদিন 'ইরান তার আচরণ না বদলাবে।'
তিনি বলেন, ১৯৭৯ সাল থেকে ইরানের বহু আপত্তিকর কর্মকাণ্ড সহ্য করা হচ্ছে, অনেক হয়েছে আর নয়।
তিনি বলেন, ইরান একটি মহান দেশ হতে পারে, সে যোগ্যতা তাদের রয়েছে...আমাদের সবার এখন উচিৎ ইরানের সঙ্গে নতুন একটি চুক্তির চেষ্টা করা যাতে করে বিশ্ব নিরাপত্তা বাড়ে।
ট্রাম্প বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের তেলের কোনো প্রয়োজন যুক্তরাষ্ট্রের নেই।
তবে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে অধিকতর ভূমিকা নেওয়ার জন্য নেটো জোটকে বলবেন বলে জানান।
কাসেম সোলাইনিকে হত্যার পক্ষে আবারো যুক্তি তুলে ধরেন তিনি।
নিহত ইরানি জেনারেলকে সন্ত্রাসী হিসাবে আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প বলেন, 'তার হাত হাজার হাজার ইরানি এবং আমেরিকানের রক্তে রঞ্জিত ছিল।'
সূত্র: বিবিসি।
