সারা দেশের কারাগারগুলোতে কারাবন্দিদের চিকিৎসা দিতে জরুরি ভিত্তিতে কত জন চিকিৎসক প্রয়োজন তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। কারাগারে চিকিৎসক নিয়োগের বিধিমালা চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত নিয়োগের ক্ষেত্রে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তাও জানাতে হবে আদালতকে। আগামী ২৭ জানুয়ারির মধ্যে আদালতের এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। কারাগারে চিকিৎসক স্বল্পতা নিয়ে করা পৃথক রিট আবেদনের শুনানিতে গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি এফ আর নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। আদালতে এদিন রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী জে আর খান রবিন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। গত বছরের ২৩ জুন হাইকোর্ট এক আদেশে কারাগারের ধারণক্ষমতা ও কারাবন্দিদের জন্য কত জন চিকিৎসকের পদ শূন্য রয়েছে সে বিষয়ে কারা মহাপরিদর্শকের কাছে জানতে চায়। এ ছাড়া কারাগারে বন্দিদের মানসম্মত থাকার স্থান নিশ্চিত করা এবং তাদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এ মর্মে রুল জারি করে আদালত।
×
