ভারতের বিপক্ষে ইডেন টেস্টে তার অভিষেক অনেকটাই চূড়ান্ত ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে চোটে পড়ায় অপেক্ষা বাড়ে সাইফ হাসানের। সব ঠিক থাকলে পাকিস্তানের বিপক্ষে রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে অপেক্ষা ফুরোতে যাচ্ছে ২১ বছর বয়সী ওপেনারের।
তামিম ইকবালের সঙ্গে যে ডানহাতি সাইফকে ওপেনিংয়ে চান তা জানিয়ে দিয়েছেন কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়ার আগে সাইফ বলে গেলেন, স্বপ্নের তারকার সঙ্গে ওপেন করতে মুখিয়ে তিনি।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দুই ভাগে ভাগ হয়ে দেশ ছেড়েছে টাইগাররা। বিমান ধরার আগে সাইফ সংবাদ মাধ্যমকে বললেন, ‘তামিম ভাইয়ের ইনিংস (বিসিএলে ট্রিপল সেঞ্চুরি) তো সবাই দেখল। আমি ছোটবেলা থেকে স্বপ্ন দেখছি, তামিম ভাইয়ের সঙ্গে ওপেন করার...।’
ভারত সফরে পারিবারিক কারণে তামিম ইকবাল ছিলেন না। শেষ মুহুর্তে যে সাইফ ছিটকে যান, তাতে তো তার জন্য ভালোই হয়েছে বলা যায়। এবার অভিষেক হলে স্বপ্নের তারকার সঙ্গে ওপেন করার সুযোগ পাবেন প্রথম ম্যাচেই। ভারতে অভিষেক হয়ে গেলে তো সেটি হতো না।
এভাবে অবশ্য কে-ই বা ভাবতে চায়। দেশের হয়ে খেলা তো সব ক্রিকেটারের জন্যই পরম আরাধ্য এক ব্যাপার। তবে অভিষেক পিছিয়ে যাওয়ার ইতিবাচক দিক খুঁজে পাচ্ছেন সাইফ নিজেও। আরো প্রস্তুত হয়ে যে খেলতে পারবেন এখন।
‘আগে থেকেই প্রস্তুত ছিলাম। দুর্ভাগ্যজনকভাবে শেষ সিরিজে হাত ফেটে গিয়েছিল। এখন আরো বেশি সময় পেয়েছি। কাজ করেছি ম্যাকেঞ্জির সাথে, কুকের সাথে। সব মিলিয়ে খুব রেডি ফিল হচ্ছে। সুযোগ পেলে কাজে লাগানোর চেষ্টা করব।’- বলছিলেন সাইফ।
পাকিস্তানে যাওয়ার আগে বিসিএলের প্রথম রাউন্ডে খেলেছেন সাইফও। তামিম ইকবালের ট্রিপল সেঞ্চুরির ম্যাচে প্রতিপক্ষ হয়ে ছিলেন। মধ্যাঞ্চলের হয়ে প্রথম ইনিংসে ৫৮ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৩ রান করেন।
বিসিএলে ম্যাচ প্রস্তুতিটাকে আদর্শই মনে হচ্ছে সাইফের, ‘এই ম্যাচ আমাদের জন্য, মানে যারা যাচ্ছি, তাদের জন্য খুব ভাল হয়েছে। উইকেট শুরুতে পেসারদের জন্য সহায়ক ছিল। ওদের (পূর্বাঞ্চল) পেসার ভাল ছিল।... স্পিনও ভাল ছিল। আমার মনে হয় খুব ভাল প্রস্তুতি হয়েছে এই ম্যাচ দিয়ে।’
সুযোগ পেলে দলের পরিস্থিতির দাবি মেটানোই লক্ষ্য হবে বলেন সাইফ, ‘সিচুয়েশন যা ডিমান্ড করবে...। যদি টিম ডিমান্ড করে একপাশে উইকেট পড়ে, আমি যতো ওভার পারি খেলব। সিচুয়েশন, উইকেটের ওপর নির্ভর করে।’
