দুই ওপেনার এসেছেন আর গেছেন। এরপর তিন থেকে পাঁচ নম্বরে যারা নেমেছেন সেট হয়েছেন। সবাই বড় ইনিংসের সম্ভাবনা জাগিয়েছেন। কিন্তু ঘুরেফিরে সেই পুরোনো রোগ। অর্ধশতকের কাছে আসতে আসতে কেউ নেই!
রাওয়ালপিন্ডিতে শুক্রবার টস হেরে ব্যাট করতে নেমে লাঞ্চের পরপর পঞ্চম উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মোট সংগ্রহ ১৩২।
প্রথম দিনের শুরুতে অভিষিক্ত সাইফ হাসান রানের খাতা খুলতে পারেননি। শাহিন আফ্রিদির বলে আসাদ শফিকের হাতে ধরা পড়েন। তামিম করতে পারেন ৩। তাকে পথ ধরান মোহাম্মদ আব্বাস। পরে মুমিনুলকেও ফিরিয়েছেন ওই আফ্রিদি। ৫৯ বলে পাঁচ চারে ৩০ রান করেন তিনি।
অধিনায়ক মুমিনুল ফেরার পর শান্ত ৪০ পেরিয়ে বেশ স্বাভাবিক ব্যাটিং করতে থাকেন। হঠাৎ মোহাম্মদ আব্বাসের এক বলে ধরা পড়েন উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে। সেট হওয়ার পথে ১১০টি বল খেলেন। ৬টি চারের মারে করে যান ৪৪।
এরপর রিয়াদও দাঁড়ানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। ৪৮ বলে চারটি চারে ২৫ করেন তিনি। ৪১তম ওভারে শাহিন আফ্রিদির বলে আসাদ শফিকের হাতে ক্যাচ দেন।
এদিন একাদশে জায়গা হয়নি সৌম্য সরকার, আল আমিন হোসেন এবং নাঈম হাসানের। আগে থেকেই নেই দলের সেরা ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। নেই দেশের ক্রিকেটের সেরা তারকা সাকিব আল হাসান। সাদা পোশাকে সময়টাও খুব খারাপ যাচ্ছে ইদানীং। এক বছরের মধ্যে দেশের মাটিতেই হারতে হয়েছে জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তানের কাছে। গত নভেম্বরে ভারত সফরটা তো রীতিমতো ভরাডুবির।
সব মিলিয়ে ১৬ বছর পর পাকিস্তানের মাটিতে বাংলাদেশকে টেস্ট খেলতে নেমেছে মানসিকভাবে পিছিয়ে থেকে।
পাকিস্তানের বিপক্ষে টাইগাররা এখনো টেস্ট জেতেনি। সর্বোচ্চ সাফল্য ২০১৫ সালে খুলনায় হারের মুখ থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে টেস্ট ড্র করা।
বাংলাদেশ: তামিম ইকবাল, সাইফ হাসান, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন কুমার দাস, মাহমুদউল্লাহ, মোহাম্মদ মিঠুন, তাইজুল ইসলাম, আবু জায়েদ চৌধুরী, ইবাদত হোসেন, রুবেল হোসেন।
পাকিস্তান: আজহার আলি, আবিদ আলি, শান মাসুদ, বাবর আজম, আসাদ শফিক, হারিস সোহেল, মোহাম্মদ রিজওয়ান, ইয়াসির শাহ, মোহাম্মদ আব্বাস, শাহিন শাহ আফ্রিদি, নাসিম শাহ।
