দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) শুধু শহরেই নয়, তৃণমূল পর্যায়ের দুর্নীতি দমনেও কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। তিনি আরও বলেন, ‘কখনো কখনো তৃণমূলের দুর্নীতি নিয়ে আমাদের পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। কারণ দুর্নীতির সবচেয়ে বড় শিকার হন গ্রামের সহজ-সরল মানুষ। তাই তাদের অভিযোগগুলোকে অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে থাকে কমিশন।’
গতকাল বুধবার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে বিদেশি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর অর্গানাইজেশন অ্যান্ড সোস্যাল ইনফরমেটিকসের পরিচালক গিলিয়ান ওলিভার ও ড. ল্যারি স্টিলম্যানের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের ওই প্রতিনিধি দলটি দুদক চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। এ সময় দুদকের গবেষণা ও তথ্য-প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়।
এ সময় ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘কমিশনের অধিকাংশ গণশুনানি তৃণমূল পর্যায়ে বাস্তবায়িত হয়। এর মাধ্যমে অনেক জটিল সমস্যারও সমাধান করা হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের কাছে জবাবদিহি করতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। সেইসঙ্গে জনগণও তাদের অধিকার আদায়ে সচেতন হচ্ছে। তাছাড়া দুর্নীতিবিরোধী সচেতনতাও বাড়ছে।’
প্রতিনিধি দলটিকে স্বাগত জানিয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘মোনাশের মতো একটি বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় দুদকের একাডেমিক পার্টনার হলে প্রযুক্তিগত, গবেষণা, অপরাধবিজ্ঞানসহ নানা বিষয়ে আরও সৃজনশীল ও উদ্ভাবনীমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে কমিশন।
