গত বছরের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালের প্রথম লেগে নিজেদের মাঠে আয়াক্স আমস্টারডামের কাছে ১-০ গোলে হেরে গিয়েছিল টটেনহ্যাম হটস্পার। কিন্তু ফিরতি ম্যাচে আয়াক্সের মাঠে গিয়ে ৩-২ গোলের জয় তুলে নিয়েছিল তারা। ৩-৩ গোলে লড়াইটি টাই হওয়ায় প্রতিপক্ষের মাঠে আয়াক্সের চেয়ে বেশি গোল করার সুবাদে ফাইনালে ওঠে স্পার্সরা। লিভারপুলের কাছে ২-০তে হেরে রানার্স হয় শেষ পর্যন্ত।
গতবারের সেই ম্যাচ থেকে প্রেরণা খুঁজছে নিশ্চয়ই হোসে মরিনহোর দল। এবার প্রি-কোয়ার্টারের প্রথম লেগে জার্মান ক্লাব লিপজিগের কাছে ১-০ গোলে পরাজিত টটেনহ্যাম আজ অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে নামছে। ২-০ গোলের জয়ই কোয়ার্টারে তুলবে তাদের। বুন্দেসলিগায় ৫০ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে লিপজিগ। শীর্ষে থাকা বায়ার্নের চেয়ে ৫ পয়েন্ট পিছিয়ে তারা। প্রথম লেগে টটেনহ্যামকে হারানোর পর শেষ ৩ ম্যাচে ১ জয় ও ২ ড্র তাদের। বিপরীতে লিগজিগদের কাছে হারার পর থেকে জয়ের মুখ দেখেনি টটেনহ্যাম। সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে চার ম্যাচের তিনটিতে হার, একটি ড্র করেছে। ইংলিশ লিগে অবস্থান অষ্টম। জার্মানিতে ইউরোপিয়ান ক্লাব প্রতিযোগিতার ১৪ ম্যাচে ৭টিতে জিতেছে টটেনহ্যাম। তবে এই মৌসুমে জার্মান দলের বিপক্ষে খেলা তিন ম্যাচেই হেরেছে মরিনহোর দল। লিপজিগের আগে গ্রুপ পর্বে বায়ার্নের কাছে দুই ম্যাচেই হেরে যায় তারা।
এগিয়ে থাকবে আতালান্তা
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আজ আরেক ম্যাচে স্প্যানিশ ক্লাব ভ্যালেন্সিয়ার মাঠে খেলবে প্রি-কোয়ার্টারের চমক আতালান্তা। প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলতে এসেই উঠেছে প্রি-কোয়ার্টারে। তাও আবার গ্রুপ পর্বে প্রথম তিন ম্যাচ হারার পর উঠেছিল ইতালিয়ান ক্লাবটি। প্রি-কোয়ার্টারে প্রথম লেগে নিজেদের মাঠে আতালান্তা ৪-১ গোলের জয় পায়। তাই ৩ গোলে এগিয়ে থেকে সুবিধাজনক অবস্থানে থেকে ভ্যালেন্সিয়ার মাঠে খেলবে আতালান্তা। তবে এই ম্যাচ দর্শকশূন্য মাঠে হওয়ার সম্ভাবনা আছে। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এমন ব্যবস্থা নিতে পারে বলে আভাস মিলেছে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমে। দু’দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিচার করলে এগিয়ে থাকবে আতালান্তা। ২০১২-১৩ মৌসুমের পর এবার আবার শেষ ষোলোতে উঠেছে ভ্যালেন্সিয়া। ইতিহাস থেকে প্রেরণা খুঁজতে পারে স্প্যানিশরা। ২০০৬-০৭ মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ইতালিয়ান ক্লাব ইন্তার মিলানকে অ্যাওয়ে গোলে হারিয়েছিল তারা। তবে এবার ৩ গোলে পিছিয়ে থাকায় কাজটা কঠিনই হবে ভ্যালেন্সিয়ার জন্য।
