ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৩০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ১৬ ঘণ্টার তীব্র যানজট দেখা দিয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ঘরমুখো মানুষ।
গাজীপুরের চন্দ্রা থেকে মির্জাপুর উপজেলার পাকুল্যা পর্যন্ত এই যানজট দীর্ঘ হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে এই যানজট শুরু হয়।বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার পর থেকে ধীরগতিতে গাড়ি চলতে শুরু করে।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে বুধবার থেকে সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি অফিস আদালত বন্ধ ঘোষণা করায় মানুষ রাজধানী থেকে একযোগে বাড়ি ফেরা শুরু করে। এতে অন্যান্য দিনের চেয়ে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়।
এছাড়া মহাসড়কের মির্জাপুর উপজেলার কদিমধল্যা নামক স্থানে আন্ডারপাসের কাজ চলমান থাকায় ওই অংশে ওয়ানওয়েতে যানবাহন চলাচল করায় এই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে বলে হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে।
ডলফিন পরিবহন বাসের যাত্রী পিয়ারুল জানান, গতকাল বিকেল ৪টায় ফেনী থেকে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে আজ সকাল ৭টায় মির্জাপুর পৌঁছেছেন।
চুয়াডাঙ্গাগামী মামুন স্পেশাল বাসের চালক সেলিম জানান,মঙ্গলবার রাত ১টায় ঢাকা থেকে রওনা হয়ে বুধবার সকাল ৬টায় মির্জাপুর পর্যন্ত পৌঁছেছেন।

ঢাকা থেকে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে মঙ্গলবার রাত ১২টায় পিকআপভ্যানে রওনা দেওয়া মো. ফারুক হোসেন জানান, করোনার কারণে ছুটি হওয়ায় গ্রামে যাওয়ার জন্য বাসে সিট না পেয়ে তিনি পিকআপের যাত্রী হয়েছেন।
তবে বুধবার সকাল পৌনে সাতটায় তিনি মির্জাপুর পর্যন্ত এসে যানজটে আটকে আছেন বলে জানান।
বুধবার সকালে মহাসড়কের মির্জাপুরের পোষ্টকামুরী এলাকায় যানজটে আটকে পড়া ট্রাক চালক চানলাল সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকা থেকে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে বুধবার সকাল সোয়া ৬টায় মির্জাপুর এসে পৌঁছেছি’।
বেলা ১১টায় এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মহাসড়কে ধীরগতিতে যান চলাচল করতে দেখা গেছে মির্জাপুর বাইপাস স্টেশন এলাকায়।
এ ব্যাপারে মির্জাপুরের হাইওয়ে থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, উল্লেখিত কারণে যানজটের সৃষ্টি হয়েছিল। তবে সকাল পৌনে ১১টায় যানচলাচল স্বাভাবিক হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
