করোনাভাইরাস সতর্কতায় মানিকগঞ্জে তাবলিগ জামায়াতের ৫৭ জন মুসল্লিকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। অপরদিকে সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম ২১ জন তাবলিগের জামায়াত সদস্যদের হোম কোয়ারেন্টাইনে রেখেছেন।
রবিবার রাত ১১টার দিকে তারা সবাই শেরপুর জেলা থেকে নিজ এলাকা মানিকগঞ্জে ফিরেছিলেন।
মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার এএসপি হামিদুর রহমান বলেন, তাবলিগ জামায়াতের এক মুসল্লি করেনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর রবিবার সিংগাইর পৌর এলাকা লকডাউন ঘোষণা করা হয়। ওই এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে বসানো হয়েছে পুলিশি চেকপোস্ট।
রবিবার মধ্যরাতে দুটি পিকআপে করে ওই মুসল্লিরা সিংগাইরে ফেরার সময় চেকপোস্টে আটক করা হয়। পরবর্তীতে করোনা সতর্কতায় ৫৪ জন মুসল্লি এবং পিকআপ চালক ও সহযোগীসহ ৫৭ জনকে মানিকগঞ্জ আঞ্চলিক জনসংখ্যা ইনস্টিটিউটে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়।
মানিকগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ারুল আমিন আখন্দ বলেন, আমরা স্বাস্থ্য বিভাগ ৫৭ জন তাবলিগ জামায়াতের সদস্যদের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করব।
এদিকে সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম বলেন, রবিবার রাত ১০টা থেকে সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত সাটুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ২১ জন তাবলিগ জামায়াতের সদস্যদের কোয়ারান্টাইনে রাখা হয়েছে। এরা দেশের বিভিন্ন জেলায় তাবলিগ জামায়াতে ছিল। তাবলিগ জামায়াত বন্ধ করে দেওয়ায় তারা সাটুরিয়ায় ফিরতে শুরু করেছে।
