পাকিস্তানের আলেম ও সংশ্লিষ্টরা দেশটিতে রমজান মাসে মসজিদে নামাজ আদায়ের অনুমোদন দিয়েছে। তবে দেশটির শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসকরা এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, চিকিৎসকদের আশঙ্কা রমজানে সবাই মসজিদে সমবেত হলে করোনাভাইরাসের বিস্তার এতটাই বেড়ে যেতে পারে, যেটা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।
পাকিস্তান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের ডা. কায়সার সাজ্জাদ বলেন, “দুর্ভাগ্যক্রমে, আমাদের শাসকরা একটি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে; আমাদের আলেমরা বিশ্বের করোনা পরিস্থিতিকে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন না।”
দেশটিতে তারাবিহ নামাজের অনুমোদনে শর্ত দেওয়া হয়েছে- নামজিদের একজনের সঙ্গে আরেকজনের ছয় ফুট ব্যবধান রাখতে হবে।
কিছুদিন আগেও মসজিদে জমায়েত নিয়ে কড়াকড়ি ছিল দেশটিতে। সম্প্রতি তা অনেকটা শিথিল হয়েছে।
বুধবার প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের নমুনা পরীক্ষায় করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়নি।
এ দিকে রমজান উপলক্ষে সৌদি বাদশাহ মক্কা ও মদিনার দুই পবিত্রতম মসজিদে তারাবিহ নামাজের অনুমতি দিয়েছে বলে রিয়াদ থেকে রয়টার্স জানিয়েছে। তবে সাধারণ নামাজিরা অংশ নিতে পারবেন না।
এ ছাড়া সৌদি আরবের বিভিন্ন শহরে জারি করা কারফিউ সকাল ৯টা থেকে বিকলে পাঁচটা পর্যন্ত কিছুটা শিথিল থাকবে। তবে বিশ্বের বহু মুসলিশ দেশে সেই ছাড়টুকুও দেওয়া হচ্ছেনা।
পাকিস্তানে এ পর্যন্ত ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ সংক্রামিত হয়েছে এবং মারা গেছেন ২১২ জন।
যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৮৩ হাজার ২৮৩ জনে। আক্রান্ত হয়েছেন ২৬ লাখ ২৬ হাজার ৯২৯ জন। তবে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭ লাখ ১০ হাজার ২৮৫ হাজার মানুষ।
