যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপোলিস অঙ্গরাজ্যে জর্জ ফ্লয়েড নামের কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তির হত্যাকারী শ্বেতাঙ্গ পুলিশ অফিসার ডেরেক চাওভিনের বিরুদ্ধে ‘ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার্সে’ আগেই ১৮টি অভিযোগ ছিল বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম সিএনএন।
একটি রেস্তোরাঁয় নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন ৪৬ বছর বয়স্ক জর্জ ফ্লয়েড। ২৫ মে সন্ধ্যায় ‘প্রতারণার অভিযোগ’ সংক্রান্ত কল পেয়ে পুলিশ তাকে আটক করে।
একজন প্রত্যক্ষদর্শীর তোলা ১০ মিনিটের ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, গলায় হাঁটু চেপে ধরায় ফ্লয়েড নিঃশ্বাস না নিতে পেরে কাতরাচ্ছেন এবং বারবার পুলিশ অফিসারকে বলছেন, ‘আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছি না’।
ফ্লয়েডের মৃত্যুর ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রসহ বৈশ্বিক সংবাদমাধ্যমে ফলাও করে ছাপানো হয়। এ ঘটনায় দেশটিতে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। কোথাও আবার অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।
সিএনএন বলছে, অভিযুক্ত চাওভিন এর আগে বেশ কয়েকবার ‘পুলিশ শুটিংয়ে’ জড়িত ছিলেন। পাশাপাশি সাধারণ মানুষও তার নামে কয়েকবার অভিযোগ করেছেন। তবে সব অভিযোগের বিস্তারিত পুলিশ প্রকাশ করেনি।
ফ্লয়েডকে মারার সময় চাওভিনের সঙ্গে ট থাও নামের আরেকজন যে অফিসার ছিলেন, তার নামে ‘ইন্টারন্যাল অ্যাফেয়ার্সে’ ছিল ছয়টি অভিযোগ। এরমধ্যে পাঁচটি নিষ্পত্তি (ক্লোজড উইথআউট ডিসিপ্লিন’) হলেও একটি এখনো চলমান।
চাওভিনের বিরুদ্ধে যে ১৮টি অভিযোগ ছিল তার দুটি ‘ক্লোজড উইথ ডিসিপ্লিন’ নিয়মে নিষ্পত্তি হয়েছে।
মিনিয়াপোলিস মেয়র জ্যাকব ফেরি এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘ফ্লয়েডের হত্যাকারী এই লোক এখনো জেলে যায়নি কেন? যদি আমি-আপনি এটা করতাম তাহলে তো কারাগারের ভেতরই থাকতাম।’
