করোনাভাইরাসের সংক্রমণে মারা যাওয়া মহানগর উত্তর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, মুক্তিযোদ্ধা আহসানউল্লাহ হাসানকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে।
সোমবার মীরপুর বাংলা কলেজ মাঠে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুলিশের একটি দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এরপর মিরপুর ১১ নম্বর কবর স্থানে তাকে দাফন করা হয়।
দাফনের সময়ে প্রয়াত নেতার স্ত্রী রিনা হাসান, বড় ছেলে সারোয়ার আল হাসানসহ আত্মীয়-স্বজন উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্রীড়া সম্পাদক আমিনুল হক, মহানগর উত্তরের নেতা এজিএম শামসুল ইসলাম, এম কফিলউদ্দিন, আক্তার হোসেন, সাজ্জাদ হোসেন, বুলবুল আহমেদ মল্লিক, আবদুল আউয়ালসহ কয়েকশ নেতা-কর্মী সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে উপস্থিত থেকে তাদের প্রিয় নেতাকে বিদায় জানান।
এর আগে রবিবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান আহসানুল্লাহ হাসান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। একাদশ নির্বাচনে আহসানউল্লাহ হাসান ঢাকা-১৬ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ছিলেন।
আহসানুল্লাহ হাসানের মৃত্যুতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ক্রীড়া সম্পাদক আমিনুল হক, যুব দলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম নিরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েলসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতারা শোক প্রকাশ করেছেন।
