অস্ত্রের মুখে মাদ্রাসাছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ

আপডেট : ২০ জুন ২০২০, ০৮:১৭ পিএম

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় বাড়ি থেকে এক মাদ্রাসাছাত্রীকে অপহরণের  অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের সময় অস্ত্রের মুখে চোখ ও মুখ বেঁধে ওই ছাত্রীকে ট্রলারে তুলে নিয়ে যায় দুষ্কৃতকারীরা। 

এ সময় দুষ্কৃতকারীরা ফাঁকা গুলি ছুড়ে বলে ছাত্রীর পরিবারের লোকজন দাবি করছেন। অপহৃত কিশোরী একটি মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। 
ওই ছাত্রীর মা আমেনা রবিবার বেলা ১১টার দিকে গজারিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এরপর পুলিশ অপহরণের মূল হোতা সন্দেহে একই উপজেলার নতুন চাষি গ্রামের মৃত সাত্তার মিয়ার ছেলে জুয়েলের দুই বোন ও ভগ্নিপতিকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তবে জুয়েল পলাতক রয়েছে। 

অপহৃত মাদ্রাসা ছাত্রীর বড় ভাই জানান, শনিবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজ আদায়ের জন্য তার বাবা পার্শ্ববর্তী মসজিদে ছিলেন। তারা তিন ভাই কেউ বাড়িতে ছিলেন না। শুধু তাদের মা, ফুপু ও বোন বাড়িতে ছিলেন। আমার বোন অজু করতে ঘরের বাইরে বের হলে ট্রলারে করে ৫-৭ জনের একটি দল তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় গামছা দিয়ে বোনের মুখ ও চোখ বেঁধে ফেলে টেনে-হিঁচড়ে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে আসতে চাইলে তার মা ও ফুপু বাঁধা দেন। তারা মা ও ফুপুকে মারধর করে। এক পর্যায়ে আগ্নেয়াস্ত্র থেকে ফাঁকা গুলি ছুড়তে ছুড়তে বোনকে জোরপূর্বক ট্রলারে তুলে নেয় তারা। তার মা ও ফুপু আর্তচিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসার আগেই ট্রলার চালিয়ে পালিয়ে যায় ৫-৭ জনের দলটি। মা ও ফুপু শুধু জুয়েল নামে একজনকে চিনতে পারে। জুয়েল একই উপজেলার নতুন চাষী গ্রামের মৃত সাত্তার মিয়ার ছেলে।   

গজারিয়া থানার ওসি মো. ইকবাল হোসেন জানান, মাদ্রাসাছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগে তার মা একটি লিখিত অভিযোগ করেন। এরপর থেকে পুলিশ ছাত্রীকে উদ্ধারে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। এ ঘটনায় কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত মামলা রুজু হয়নি।

তবে শিগগিরই মাদ্রাসা ছাত্রীকে উদ্ধার সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্ট থানার ওসি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত