মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে সভাপতির স্বাক্ষর জালের অভিযোগ

আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০২০, ১০:১২ পিএম

নওগাঁর ধামইরহাটে বড়থা ডি.আই ফাজিল মাদ্রাসার সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে বেতন ভাতার কাগজ দাখিল করার অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম খোদাদাদের বিরুদ্ধে।

ঘটনাটি জানতে পেরে মাদ্রাসার সভাপতি মো.সিরাজুল ইসলাম তার স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগ এনে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে  সোমবার উপপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, রাজশাহী বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ ও মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, ধামইরহাট উপজেলার আড়ানগর ইউনিয়নের  বড়থা ডি.আই ফাজিল মাদ্রাসার বর্তমান সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ২ বছর ৮ মাস ধরে  সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম খোদাদাদ চলতি আগস্ট মাসের ৭ তারিখে তার স্বাক্ষর জাল ও কমিটির সভা না ডেকে  তার বাড়িতে বসে থেকে ভুয়া রেজুলেশন তৈরি করে ২০০৪-০৫ সালে ফাজিল স্তরের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত আরবি প্রভাষক মো.আব্দুল হামিদ, অফিস সহকারী কাম-হিসাব সহকারী হাবিবুর রহমান, নিরাপত্তাকর্মী মো.মোজাম্মেল হক এবং আয়া পদে মোসা.রাশেদার বেতন ভাতার আবেদনের জন্য কাগজপত্র প্রস্তুত পূর্বক উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে উপপরিচালক, রাজশাহী বরাবর দাখিল করেন।

এ ব্যাপারে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো.নুরুল ইসলাম খোদাদাদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ২০০৪-০৫ সালে ফাজিল স্তরের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন  এসব শিক্ষক-কর্মচারীরা। মাদ্রাসাটি ফাজিল হলেও আলিম স্তর পর্যন্ত এমপিওভুক্ত রয়েছে। দীর্ঘদিন যাবৎ বেতনভাতা না পাওয়ায় তাদের বর্তমান জনবল কাঠামো অনুসারে আলিম স্তরে আরবি প্রভাষক ও অফিস সহকারী কাম হিসাব সহকারীকে নবসৃষ্ট পদ দেখিয়ে এবং নিরাপত্তাকর্মী এবং আয়া কে শূন্যপদে সমন্বয় করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ অসুস্থ এবং করোনার কারণে নিজ বাড়িতে অবস্থান করায় মাদ্রাসার কার্য নির্বাহী কমিটির অধিবেশনের রেজুলেশন, ও অন্যান্য কাগজপত্রে সভাপতি এবং অন্যান্য সদস্যদের স্বাক্ষর নেয়ার জন্য ওই চারজন শিক্ষক-কর্মচারীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ওই শিক্ষক কর্মচারীরা কীভাবে মাদ্রাসার সভাপতি এবং অন্যদের স্বাক্ষর নিয়েছে এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানান অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো.মাহফুজুর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে ১৭ আগস্ট বড়থা ডি.আই ফাজিল মাদ্রাসার সভাপতি মো.সিরাজুল ইসলাম উপপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, রাজশাহী বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগ পত্রটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জরুরিভাবে প্রেরণ করা হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত