১৮৬০ সালের দন্ডবিধিতে গর্ভপাতসংক্রান্ত পাঁচটি ধারার (৩১২ থেকে ৩১৬) বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই ধারাগুলোকে কেন অসাংবিধানিক ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের ওপর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি তারিক উল হাকিম এবং বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করে। আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্ট চার বিবাদীকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। ভিডিও কনফারেন্সে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দা নাসরিন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাস গুপ্ত। রিটকারী আইনজীবী সৈয়দা নাসরিন দেশ রূপান্তরকে জানান, গর্ভপাতের সুযোগ না থাকায় পথশিশু ও এতিমখানায় শিশুদের হার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। দ-বিধির এই ধারাগুলোতে ধর্ষণের শিকার নারীর গর্ভপাতের ক্ষেত্রে কোনো বিশেষ সুযোগ রাখা হয়নি। এছাড়া অনেক নারীর জীবনে অপ্রত্যাশিতভাবে বাচ্চার জন্ম হচ্ছে। সন্তান জন্ম নেওয়ার প্রস্তুতি না থাকা সত্ত্বেও আইনি বাধার কারণে বাধ্য হয়ে বাচ্চার জন্ম দিতে হচ্ছে। আবার অনাকাক্সিক্ষতভাবে ১২-১৩ বছরের কন্যা শিশুরাও অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। কিন্তু তাদের কিংবা তাদের পরিবারের অসহায়ত্ব ছাড়া কিছুই করার থাকে না।
×
