পশ্চিমবঙ্গের ‘জীবনকৃতি সম্মাননা’ পাচ্ছেন তানভীর মোকাম্মেল

আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০২০, ০২:৩৮ পিএম

চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতিতে অবদান রাখার জন্য নির্মাতা তানভীর মোকাম্মেলকে ‘আন্তর্জাতিক জীবনকৃতি সম্মাননা’ প্রদান করছে পশ্চিমবঙ্গের পত্রিকা অশোকনগর।

খবরটি নিশ্চিত করেছেন কিনো-আই ফিল্মসের ব্যবস্থাপক সৈয়দ ওয়াসিউদ্দিন আহমদ।

তিনি জানান, জীবনকৃতি সম্মাননা উপলক্ষে তানভীর মোকাম্মেলকে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিতব্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নিজের চলচ্চিত্র বিষয়ে একটি বক্তৃতা প্রদান করতে হবে।

তানভীর মোকাম্মেল সম্মাননা গ্রহণ ও অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন।

অশোকনগর ২০১৭ সালে ‘সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ৮৩’ শীর্ষক সংখ্যা প্রকাশ করে। যা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশনা বিভাগের ভারতীয় শাখা অনুবাদের জন্য নির্বাচিত করে।

ছয়টি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, পনেরোটি প্রামাণ্যচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন তানভীর মোকাম্মেল, যার মধ্যে কয়েকটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করে।

তানভীরের পূর্ণদৈর্ঘ্য ছবি হলো— নদীর নাম মধুমতি, চিত্রা নদীর পাড়ে, লালসালু, লালন, রাবেয়া ও জীবনঢুলি। উল্লেখযোগ্য প্রামাণ্যচিত্র— দ্য গার্মেন্ট গার্ল অব বাংলাদেশ, দ্য আননোওন ব্যার্ড টিয়ারড্রপস অব কর্ণফুলী, রাইডার্স টু সুন্দরবনস, এ টেল অব দ্য যমুনা রিভার, দ্য প্রমিসড ল্যান্ড তাজউদ্দীন আহমেদ: অ্যান আনসাং হিরো, স্বপ্নভূমি ও ১৯৭১।

বর্তমানে মুক্তির অপেক্ষায় আছে সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত সরকারি অনুদানের ছবি ‘রূপসা নদীর বাঁকে’। তিনি বেশ কিছু বইয়ের রচয়িতাও।

চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ২০১৭ সালে সম্মানজনক একুশে পদক লাভ করেন তানভীর মোকাম্মেল। ১৯৯৬ সালে ‘নদীর নাম মধুমতী’, ১৯৯৯ সালে ‘চিত্র নদীর পাড়ে’ ও ২০০১ সালে ‘লালসালু’ সিনেমার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত