ধর্ষণের বিচার দ্রুত আইনে করা এবং ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সংস্কৃতিকর্মীরা। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির সামনে বাংলাদেশ পথনাটক পরিষদের আয়োজনে এক প্রতিবাদ সমাবেশে এ দাবি জানান বক্তারা। তারা বলেন, বিচারহীনতা আর প্রতিবাদহীনতার জন্যই একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। রাজনৈতিক ক্ষমতাকে ব্যবহার করে ধর্ষণের ঘটনা লজ্জার।
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক হাসান আরিফ বলেন, ‘এমসি কলেজের ঘটনার পর নোয়াখালীর ঘটনা কীভাবে ঘটে? সবকিছুতেই যদি প্রধানমন্ত্রীকে ডাকতে হয়। তাহলে তো আমাদের জন্য সামনে বিপদ। আমরা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিই না, এটা আমাদের দুর্বলতা। সংসদে সংরক্ষিত আসনের নারী সাংসদ রয়েছেন, তারা কেন ধর্ষণের বিচার চেয়ে এক হতে পারেন না? তাদের নীরব থাকার কারণ কী? নারীর বসবাসকে নিরাপদ করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন, দনিয়া সাংস্কৃতিক জোট, আদি ঢাকা সাংস্কৃতিক জোট, নৃত্যশিল্পী সংস্থা, সংগীতশিল্পী সমন্বয় পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা পথনাটক পরিষদ আয়োজিত এই সমাবেশে একাত্মতা প্রকাশ করেন। গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কামাল বায়েজীদ বলেন, ‘ধর্ষকের বিচার করার পাশাপাশি সারা দেশে সাংস্কৃতিক জাগরণ তৈরি করতে হবে।’ নাট্যনির্দেশক ড. মোহাম্মদ বারী বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে, যাতে এমন ন্যক্কারজনক কাণ্ড করার আগে অপরাধীরা ভীত হয়। ধর্ষকের সর্বোচ্চ সাজা দ্রুত সময়ে নিশ্চিত করতে হবে।’
