কিম জং উন ক্ষমতায় আসার পর যেসব মানুষকে বন্দি করেছেন তাদের সঙ্গে পশুর প্রাপ্য ব্যবহারের চেয়েও বাজে আচরণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।
কিমের সাবেক কর্মকর্তা এবং কয়েক জন ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলে সংস্থাটি এই প্রতিবেদন দিয়েছে।
এইচআরডব্লিউ’র সঙ্গে আলাপকালে ৮ জন সাবেক সরকারী কর্মকর্তা এবং ২২ জন ভুক্তভোগী (সাবেক বন্দি) যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক সংস্থাটিকে জানিয়েছেন, তাদের সঙ্গে এমন ব্যবহার করা হয়েছে যেন তারা পশুর চেয়ে অধম।
তারা বলছেন, তাদের দিনে সাত থেকে আট ঘণ্টা করে ফ্লোরে বসিয়ে রাখা হতো, কখনো হাঁটুগেড়ে রাখা হতো, কখনো চোখ ঠেসে থাকতে হতো মেঝেতে। কখনো কখনো ১৩ থেকে ১৬ ঘণ্টা এভাবে কেটে যেত। যদি কোনো বন্দি এই সময়ে নড়াচড়া করতেন তাহলে সবাইকে নতুন করে শাস্তি দেয়া হতো।
উত্তর কোরিয়া সেই আদিকাল থেকে রহস্যময় এক দেশ। কঠোর নিয়মের বেড়াজালে সেখানকার নাগরিকদের আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রাখা হয়, যার অনেক কিছুই বিশ্ববাসীর এখনো অজানা।
দেশটির নাগরিকেরা সরকারের অনুমতি ছাড়া একা কিংবা পরিবার নিয়ে ছুটি কাটাতে যেতে পারেন না।
অনুমতি ছাড়া দেশ ত্যাগ সেখানে এক প্রকার অসাধ্য ব্যাপার। ধরা পড়লে শ্রমিক ক্যাম্পে পাঠানো হয়। এমনকি মেরেও ফেলা হয়।
