বর্তমান স্বৈরাচার ও দুর্নীতিবাজ সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত মানুষের মুক্তি মিলবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। তিনি দাবি করেন, এই সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে মানুষের শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।
রবিবার ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের উদ্যোগে মোহাম্মদপুরের জহুরি মহল্লায় আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত বস্তিবাসীদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী ও শীতবস্ত্র বিতরণের সময় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রায় দেড় মাস চিকিৎসাধীন থেকে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পর এটাই রিজভীর প্রথম কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেয়া।
ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ঢাকার বস্তি গ্রাস করার জন্য, দখল করার জন্য ক্ষমতাসীনরা মরিয়া হয়ে উঠেছে। গোটা জাতির নিরাপত্তা নাই, মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নাই। বাড়িঘরের নিরাপত্তা নাই। বেঁচে থাকার নিরাপত্তা নাই।
তিনি বলেন, আজকে মানুষ নিজের বাড়ি ঘরে থাকতে পারছে না। ঢাকার অনেক বস্তি ক্ষমতাসীনরা আগুন লাগিয়ে দখল করে নিয়েছে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নের কথা বলেন। কোনো স্বৈরাচারের উন্নয়নের কথায় জনগণের উন্নয়ন হয় না। জনগণের কল্যাণ বয়ে আনে না। সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা যখন উন্নয়নের কথা বলেন তখন বুঝতে হবে হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির ষড়যন্ত্র চলছে।
সরকারের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, করোনা হুঁ হুঁ করে বাড়ছে। আজকে হাসপাতালে বেড নেই। রোগীরাও চিকিৎসা না পেয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে। করোনায় মৃত্যুবরণ করছে। সরকারের সেদিকে কোনো খেয়াল নেই। করোনার মধ্যে সরকারের লোকেরা আগুন দিয়ে মানুষকে গৃহহীন করছে।
ত্রাণ বিতরণের সময় ছাত্রদল ঢাকা মহানগর পশ্চিমের সভাপতি কামরুজ্জামান জুয়েল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি লিটন মাহমুদ বাবু, আমিনুর রহমান লিটন, এইচ এম মোজাম্মেল, মাজহারুল ইসলাম রাসেলসহ বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
