গাজীপুরে স্কুলছাত্রীকে দল বেঁধে ধর্ষণ-ভিডিও ধারণ

আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২:৫৫ এএম

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে মোবাইল ফোনে থাকা ছবি দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে দল বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার ডিপেরচালা এলাকার ওই ঘটনায় গত শুক্রবার রাতে স্কুলছাত্রীর বাবা থানায় একটি মামলা করলে অভিযুক্ত তিন যুবককে আটক করে পুলিশ। গ্রেপ্তাররা হলো উপজেলার কাথাচুড়া এলাকার শরিফ (২৮), রামচন্দ্রপুর এলাকার রাশেদুল ইসলাম (২২) ও কড়ইতলী এলাকার রুবেল হাসান (২১)।

স্কুলছাত্রীর স্বজনরা জানান, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে তার মোবাইল ফোনে ওই স্কুলছাত্রীর ছবি রয়েছে বলে কল করে জানায় শরিফ। ওই ছবি নিতে ভুক্তভোগীকে পাশের সিরাজপুর গ্রামে আসতে বলে সে। অন্যথায় ওই ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া হুমকি দেওয়া হয়। পরে ইন্টারনেটে ছবি যাওয়ার ভয়ে বাধ্য হয়ে ভিকটিম ওই গ্রামের দিকে যাচ্ছিল। পথে ডিপেরচালা এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা শরিফ, রাশেদুল ও রুবেল তার মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক পাশের একটি কাঠবাগানের ভেতর নিয়ে যায়। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই স্কুলছাত্রীকে দল বেঁধে ধর্ষণ এবং ধর্ষণের দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে তারা। একপর্যায়ে স্কুলছাত্রীকে ওই বাগানে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা।

কালিয়াকৈর থানার ওসি মনোয়ার হোসেন চৌধুরী জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর শুক্রবার দুপুরে পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ধর্ষণের দৃশ্যের ভিডিওসহ মোবাইল ফোনটি জব্দ করা হয়। গতকাল দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

এদিকে সাভারে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে পোশাকশ্রমিক এক কিশোরীকে (১৭) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গতকাল শনিবার ভোরে মো. কাইয়ুম (৪২) নামে এক পোশাক কারখানার মালিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত কাইয়ুম বগুড়ার সারিয়াকান্দি থানার পার দেবুডাঙ্গা গ্রামের প্রয়াত দৌলত জামান সরকারের ছেলে। সাভার পৌরসভার ছায়াবীথি এলাকার বাংলার মার্ট অ্যাপারেলস অ্যান্ড প্রিন্টিং কারখানার অংশীদারি মালিক তিনি।

সাভার মডেল থানার এসআই মো. তাহমুদুল ইসলাম জানান, ভুক্তভোগী কিশোরীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পোশাক কারখানার মালিক কাইয়ুমকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন তিনি। গতকাল দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত