এমপি বাদশাকে দিয়ে রাজশাহীতে করোনার টিকাদান শুরু

আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৪:০৭ পিএম

রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশার টিকা গ্রহণের মধ্যদিয়ে রাজশাহীতে শুরু হয়েছে করোনা টিকাদান কর্মসূচি।

রবিবার সকাল ১০টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল কেন্দ্রে তিনি করোনার টিকা নেন।

এ সময় তিনি বলেন, এই ভ্যাকসিনটা অত্যন্ত নিরাপদ এবং আমি কোনো কিছু অনুভব করিনি। ব্যথাও অনুভব করিনি। ভ্যাকসিন নেওয়ার পরও আমার মধ্যে কোনো অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া নেই। ফলে ভ্যাকসিন নিয়ে যেসব কথাবার্তা, তার অবসান হওয়া দরকার।’

বাদশা বলেন, ‘ভ্যাকসিন সকলকেই তো নিতেই হবে। করোনা প্রতিরোধের ক্ষেত্রে ভ্যাকসিনের কোনো বিকল্প নেই। আমার মনে হয় সব সচেতন সাধারণ মানুষের কাছে যাতে ভ্যাকসিনটা পৌঁছানো যায়, সে ব্যাপারে সবাইকে উদ্যোগ নিতে হবে। সর্বস্তরের মানুষের কাছে যদি ভ্যাকসিন পৌঁছে যায়, তবে বাংলাদেশ দ্রুত করোনামুক্ত হবে।’

এমপি বাদশার টিকা নেয়ার পর তার সহধর্মিণী অধ্যাপিকা তসলিমা খাতুন, সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি আদিবা আনজুম মিতা, জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল, রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী, উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস এবং সিভিল সার্জন ডা. মো. কাইয়ুম তালুকদার করোনার টিকা গ্রহণ করেন।

এরপর রামেক হাসপাতালের অন্যান্য চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা টিকা নিতে শুরু করেন।

টিকা নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল বলেন, ‘আমি খুবই স্বাভাবিকভাবে ভ্যাকসিন নিয়েছি। খুবই সামান্য ব্যথা লেগেছে। পিঁপড়া কামড় দিলে যে রকম ব্যথা, সে রকম।’

তিনি সবাইকে এই টিকা নেওয়ার আহ্বান জানান।

রাজশাহী শহরে মোট তিনটি কেন্দ্রে রবিবার টিকা প্রয়োগ শুরু হয়েছে। অন্য দুটি কেন্দ্র হলো- বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল। বেলা ১২টায় পুলিশ হাসপাতালে টিকা প্রয়োগ কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন।

সিভিল সার্জন ডা. মো. কাইয়ুম তালুকদার জানান, রাজশাহীতে উপজেলা পর্যায়ে ১০টি কেন্দ্রে টিকা প্রয়োগ শুরু হয়েছে।

এর মধ্যে ৯ উপজেলার ৯টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রয়েছে। এর বাইরে গোদাগাড়ী উপজেলায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ছাড়াও গোদাগাড়ী ৩১ শয্যা বিশেষায়িত হাসপাতালে টিকা দেয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, প্রথম ধাপে রাজশাহীর ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব। আপাতত যারা অ্যাপে নাম নিবন্ধন করেছিলেন তাদের টিকা দেয়া শুরু হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত