চট্টগ্রামের চন্দনাইশ পৌরসভা নির্বাচনে প্রচারের শেষ দিনে পৃথক সহিংসতায় মেয়র প্রার্থীর মাসহ ১১ জন আহত হয়। আহতদের চন্দনাইশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
শুক্রবার সকালে গণসংযোগকালে পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী অজয় দত্ত ও সুজন সরকারের সমর্থকদের মধ্যে জোয়ারা হিন্দুপাড়া এলাকায় সংঘর্ষ হয়। এ সময় হাজির পাড়ার মোহাম্মদ আলীর ছেলে মানিক (২৬), জোয়ারা এলাকার অঞ্জন চৌধুরীর ছেলে দীপ চৌধুরী, সৌরভ দাশের স্ত্রী তমা দাশ (২৪), সুধীর ঘোষের ছেলে ইমন ঘোষ (২০), মৃত হরিশ চন্দ্র দত্তর ছেলে মিন্টু দত্ত (৭০), রুপন দত্তের স্ত্রী সুপর্ণা দত্ত (৩০), নয়ন সর্দার (৩০) আহত হন।
সন্ধ্যায় মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী ফারুক বাহাদুরের ঘরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের অভিযোগ পাওয়া যায়। এ সময় জানালার কাঁচ ভেঙে তার মা ফাতেমা বেগম (৬০) আহত হন। তার পরিবারের অন্য সদস্যরাও আহত হন বল মেয়র প্রার্থী জানান। অন্যদিকে চন্দনাইশ সদর এলাকায় সন্ধ্যায় একই দলের দুইপক্ষে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সময় চৌধুরী পাড়ার আনোয়ার হোসেনের ছেলে মিজানুল হক চৌধুরী (২৩), চন্দনাইশ সদরের ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে ইয়াছিনুর রহমান (১৮), মকবুল হোসেনের ছেলে রাজমিস্ত্রী মো. ফরিদ (৩০) আহত হন।
খবর পেয়ে পুলিশ এ সব ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছিল।
মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী ফারুক বাহাদুর সাংবাদিকদের বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের কর্মীরা তাদের দলীয় স্লোগান দিয়ে মাগরিবের নামাজের সময় তার বাড়িতে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে ঘরের দরজা-জানালার কাঁচ ভাঙচুর করে। মাকে ইটের টুকরা মেরে আহত করে।
নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মাহাবুবুল আলম খোকা সাংবাদিকদের বলেছেন, যারা প্রার্থী ফারুক বাহাদুরের ঘরে হামলা করেছে তারা কেউ তার দলের সদস্য বা সমর্থক নয়। তার সু-নিশ্চিত জয়কে অন্যভাবে প্রভাহিত করতে একটি মহল বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করছে।
