প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুতই ঘরে বসে দেখা যাবে প্যারামাউন্ট পিকচার্সের বড় দুই সিনেমা ‘মিশন: ইম্পসিবল ৭’ ও ‘আ কোয়াইট প্লেস পার্ট টু’। এ খবর দিয়েছে ভ্যারাইটি ডটকম।
জানা গেছে, বড়পর্দায় মুক্তির ৪৫ দিন পর ছবিগুলো দেখা যাবে নতুন স্ট্রিমিং সার্ভিস প্যারামাউন্ট প্লাসে।
সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, ‘মিশন ইম্পসিবল ৭’ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ১৯ নভেম্বর। এর আগে ১৭ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাবে ‘আ কোয়াইট প্লেস পার্ট টু’।
বুধবার ভায়াকম সিবিএস ইনভেস্টর ডে উপলক্ষে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
৪ মার্চ প্যারামাউন্ট প্লাস চালু হবে বলে জানা যায়। এর মাধ্যমে নেটফ্লিক্স, এইচবিও ম্যাক্স, আমাজন প্রাইম ভিডিও, হুলু, ডিজনি প্লাস ও অ্যাপল টিভি প্লাসের সাম্রাজ্যে হানা দিতে যাচ্ছে নতুন সার্ভিস।
আড়াই হাজার সিনেমা নিয়ে একটা লাইব্রেরির পাশাপাশি প্যারামাউন্ট প্লাসে থাকছে নানান ধরনের আয়োজন। ইতিমধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে।
মহামারির আগে থিয়েটার মালিকদের দাবি ছিল, মুক্তির ৯০ দিনের আগে যেন সিনেমা ওটিটি-তে রিলিজ করা না হয়। কিন্তু করোনার কারণে এক বছর প্রেক্ষাগৃহ বন্ধ থাকায় ব্যবসার শর্ত এখন অনেকটাই পাল্টে গেছে।
সম্প্রতি ওয়ার্নার ব্রস ঘোষণা দেয়, ২০২১ সালের সবগুলো সিনেমা প্রেক্ষাগৃহের পাশাপাশি একই দিনে এইচবিও ম্যাক্সে মুক্তি দেবে তারা। ইতিমধ্যে তার বাস্তবায়ন ঘটেছেও। বিষয়টি খুবই বিতর্ক তুলেছে। সে তুলনায় প্যারামাউন্ট প্লাসের পদক্ষেপ সিনেমা হলের পক্ষেই রয়েছে। অন্যদিকে ইউনিভার্সেল স্টুডিও মুক্তির ১৭ দিনের মাথায় ভিডিও-অন-ডিমান্ড প্ল্যাটফর্মে ছবি ছাড়ার পরিকল্পনা করেছে।
গত এক বছরে প্যারামাউন্ট একাধিক ছবি বিক্রি করেছে নেটফ্লিক্স ও আমাজন প্রাইম ভিডিওতে। এর মধ্যে আছে দ্য ট্রায়াল অব দ্য শিকাগো সেভেন, কামিং টু আমেরিকা ও উইদাউট রিমর্স।
এ ছাড়া চলতি বছর প্যারামাউন্টের ব্যানারে মুক্তি পাওয়া পাবে ইনফিনিট, টপ গান: মাভেরিক, পো পেট্রল, জ্যাক অ্যাস ফোর, স্নেক আইস ও ক্লিফোর্ড দ্য বিগ রেড ডগ।
