মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতাল: করোনা পরীক্ষায় নেয়া হচ্ছে ৫০০টাকা!

আপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০২১, ১০:২৫ পিএম

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের কুমুদিনী হাসপাতালে করোনা পরীক্ষায় জনপ্রতি ৫০০ টাকা করে নেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সংগ্রহকৃত নমুনার সঙ্গে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকার নির্ধারিত ১০০ টাকা জমা দিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, কুমুদিনী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন করোনা উপসর্গ থাকা রোগীদের নমুনা সংগ্রহে কর্তৃপক্ষ জনপ্রতি ৫০০ টাকা করে নিচ্ছে। গত ১৩ এপ্রিল কুমুদিনী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ছয়জন, ১৮ এপ্রিল পাঁচজন ও ২২ এপ্রিল ১০ রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। নমুনার সঙ্গে প্রত্যেকের ১০০ টাকা করে ফি জমা দেয় তারা। বাকি ৪০০ টাকা কুমুদিনী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ খরচের জন্য রেখে দেয়। এ নিয়ে রোগী ও ¯^জনদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

কুমুদিনী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়নের কাওয়ালজানি গ্রামের আমেনা আক্তারের মেয়ের জামাই মো. মনির হোসেন জানান, তার শাশুড়ির করোনার নমুনা সংগ্রহ ফি বাবদ ৫০০ টাকা নেয়া হয়েছে।

মির্জাপুর উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের বানিয়ারা গ্রামের হাসনা বেগমের ছেলে আব্দুর রহমান বলেন, কুমুদিনী হাসপাতালে মায়ের করোনা পরীক্ষার জন্য ৫০০ টাকা লেগেছে।

একই কথা জানান গোড়াইয়ের নাজমিনের বাবা পাপ্পু মিয়া, দেলদুয়ার উপজেলার বাথুলি গ্রামের শিল্পি বেগমের স্বামী হুমায়ুন কবির ও মির্জাপুরের ভাতগ্রাম ইউনিয়নের কুইচতারা গ্রামের শহরবানুর মেয়ে বেদেনা।

কুমুদিনী হাসপাতালের এজিএম (অপারেশন) অনিমেষ ভৌমিক বলেছেন, ৫০০ টাকা করে নেয়া হচ্ছে। নমুনার সঙ্গে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১০০ টাকা করে ফি জমা দেওয়া হয়। বাকি টাকা নমুনা সংগ্রহ ও যাতায়াত খরচের জন্য রাখা হয়।

কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার রায়ের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে করোনা পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহের জন্য ৫০০ টাকার পরিবর্তে ২০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. শাহাবুদ্দিন খানের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, সরকার নির্ধারিত ফি ১০০ টাকা। কুমুদিনী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সরকারি ফি বাদে তাদের খরচ বাবদ অতিরিক্ত ১০০ টাকা নিতে পারেন। এর বেশি নেয়া হলে তিনি আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত