আলেম শব্দটিকে বাংলাদেশের তো বটেই, পশ্চিমবঙ্গের বাংলা অভিধানও কবুল করে নিয়েছে। ইলম থেকে উদ্ভূত আলেম মানে বিদ্যান, ধর্মীয় জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তি। শতবর্ষ পূর্বেকার বাঙালি আলেম এখনকার আলেমের চেয়ে অধিক জ্ঞানী ছিলেন কি না এ প্রশ্নে একালের জ্ঞানবিজ্ঞান চর্চার আলোকে এক কথায় তাদের উড়িয়ে দেওয়া যায় অধিক জ্ঞানী হওয়ার প্রশ্নই আসে না। তারা কি মোবাইল ফোনের ব্যবহার জানতেন? তারা কি অ্যান্ড্রয়েড ফোন কখনো দেখেছেন? তারা কি ম্যাসেঞ্জারে বার্তা পাঠাতে পারতেন? তারা কি ‘লাইভে’ এসে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিতে পারতেন? এরকম অন্তত একশটা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা যাবে, যার উত্তর হবে না। এই প্রশ্নগুলোর উত্তর এ কালের বুদ্ধিমান আলেমের বেলায় ‘হ্যাঁ’। কমবেশি একশত বছর আগের ধর্ম বিষয়ক পত্রিকাগুলো ঘেঁটে বিড়ে তালাক ইত্যাদি বিষয়ে তারা কী ভাবতেন ও চর্চা করতেন অনুগ্রহ করে বিবেচনার জন্য এ কালের আলেমদের সামনে উপস্থাপন করছি। এই লেখাটিতে নিবন্ধকারের কোনো মতামত নেই, কোনো তথ্যগত বা বক্তব্যগত সংযোজন বা বিয়োজন নেই। কোনো পরিমার্জনও নেই। কেবল সহজপাঠ্য করার জন্য ভাষা কোথাও কোথাও সাধু থেকে চলিতে রূপান্তর করা হয়েছে। এখন থেকে ১০২ বছর আগে আল-এসলাম পত্রিকায় কার্তিক ১৩২৬ সংখ্যায় ইসমাইল হোসেন সিরাজীর বিবাহনীতি প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে ১৮টি দফা রয়েছে। সংক্ষেপে তুলে ধরছি :
১. সদ্বংশ বাছাই করতে হবে; ২. কুষ্ঠ, উদংশ, মেহ, ক্ষয়কাম্যগ্রস্ত বংশ পরিত্যাজ্য; ৩. অসুস্থ ও ক্ষণজীবী পাত্র বা পাত্রী পরিত্যাজ্য; ৪. স্ববংশ ও স্বগোত্র পরিত্যাজ্য; ৫. একই বংশে পুনঃপুনঃ বিয়ে পরিত্যাজ্য; ৬. মৃতবৎসা নারীর বাহুল্য থাকলে সে পরিবার পরিত্যাজ্য; ৭. বিরুদ্ধ স্বভাবের পাত্র বা পাত্রীর মধ্যে বিয়ে অনাকাক্সিক্ষত; ৮. কেবল পাত্রীর সৌন্দর্য বিচার করলে চলবে না, পাত্রীও কদাকার পাত্র প্রত্যাখ্যান করতে পারবে; ৯. বাল্যবিয়ে সম্পূর্ণ অসংগত; ১০. পাত্রপাত্রীর বয়সের ব্যবধান ৬/৭ বছরের বেশি নয়; ১১. বিপতœীকের সঙ্গে বিধবার, কুমারের সঙ্গে কুমারীর বিয়ে কাম্য; ১২. পাত্রপাত্রী বয়োপ্রাপ্ত হয়ে পরস্পরকে মনোনয়ন করে বিয়ে বিজ্ঞানসম্মত এবং তা ‘এছলাম কর্তৃক অনুমোদিত’; ১৩. পিতামাতা বিয়ে ঠিক করলেও পাত্রপাত্রীর দেখা হওয়া ও পরস্পরের মতামত জ্ঞাত হওয়া আবশ্যক; ১৪. পাত্রী অসম্মত থাকলে জোর করে বিয়ে হারাম ‘আমাদের দেশের শত শত মোল্লা-মৌলভী ধর্মের মাথা খাইয়া এরূপ ‘নেকাহ’ পড়াইতে কুণ্ঠাবোধ করেন না।’ ১৫. স্বাবলম্বী হওয়ার আগে পুরুষের বিয়ে অনুচিত; ১৬. স্ত্রী বন্ধ্যা বা চিররুগ্ণ হলেই দ্বিতীয় বিয়ে সংগত হবে; ১৭. পাঠ্য জীবনে বিয়ে নিষেধ; ১৮. ছেলেদের ২৩/২৪ বছরের পূর্বে এবং মেয়েদের ১৫/১৬ বছরের আগে বিয়ে অনুচিত।
সে সময় সিরাজী লিখেছেন কোনো জাতির উন্নতি-অবনতি বহু পরিমাণে যৌন-নির্বাচনের ওপর নির্ভর করে। তিনি যৌন-নির্বাচন তত্ত্ব এবং ইউজেনিক্স বা সুপ্রজনন বিদ্যা সম্পর্কে যথেষ্ট অবহিত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। মওলানা মনিরুজ্জামান এছলামাবাদী বাল্যবিয়ে, বেশি অঙ্কের মোহরানা নির্ধারণ এবং বিয়ের উৎসবের অপরিমিতি বর্জনের কথা বলেছেন। মুহম্মদ রেয়াজ উদ্দিন আহমদ লিখেছেন বর্ধমানের বেশকিছু মুসলমান পরিবার বিধবাকে আজীবন বিধবা রাখার পক্ষে এটা মনুষ্যত্বের অবমাননা; ইসলামে বিধবা বিবাহ একটি গুরুতর কর্তব্য। শেখ জমিরুদ্দীন লিখেছেন রিপু পূজার জন্য বহুবিবাহ ইসলাম অনুমোদন করে না। আবদুল কাদের লিখেছেন ইসলাম কখনো ‘বহু বিবাহের আদেশ’ দেয়নি। কঠোর শর্তে বিশেষ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে অনুমতি দিয়েছে। তবলীগ, আষাঢ় ১৩৩৫ সংখ্যায় আব্দুল কাদের লিখেছেন, ‘যে শ্লোকটি বহুবিবাহের অনুমতি প্রদান করে উহা লোকক্ষয়কর ওহোদ যুদ্ধের পর অবতীর্ণ হইয়াছিল। উক্ত যুদ্ধে বহু মোসলেম বীর নিহত হন, তৎকালে পুরুষের সংখ্যা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়। বহু অল্প-বয়স্কা বালিকা পিতৃহীন হওয়ায় উহাদের রক্ষার প্রয়োজন হইয়াছিল।’ বহুবিয়ের কুফল নিয়ে ধর্মীয় পত্রিকাগুলোতে অনেক লেখালেখি হয়েছে। কার্যত বহুবিবাহ নিষেধই করা হয়েছে। শতবর্ষ পর একজন মওলানা চুক্তিভিত্তিক ইসলাম অনুমোদিত বিয়ের জ্ঞান দেশবাসীকে দিলেন এবং সেই জ্ঞানের আদর্শ প্র্যাকটিশনার হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করলেন। দেশের এ কালের আলেমরা এই চুক্তি বিয়ের যুক্তি মেনেই নিয়েছেন কি না স্পষ্ট নয়; না মানলে তাদের ভিন্নস্বর হয়তো শুনতে পাওয়া যেত।
নতুন জ্ঞান নিউ নলেজ অনুযায়ী বৈধ ও শরিয়তসম্মত স্ত্রী থাকার পরও তার অজ্ঞাতে তার স্বামীর চুক্তিভিত্তিক একাধিক স্ত্রী থাকতে পারে। সেই চুক্তির তিন শর্ত :
১. ঐ নারী বা নারীরা (বর্তমান মওলানার বেলায় বহুবচন) স্ত্রী হিসেবে থাকবেন কিন্তু স্ত্রীর মর্যাদা পাবেন না।
২. স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক থাকতে কিন্তু স্বামীর সম্পদের ভাগ পাবেন না।
৩. স্ত্রী হিসেবে থাকলেও তার চুক্তিভিত্তিক স্বামীর সন্তান ধারণ করতে পারবেন না, কিংবা অন্য কোনো দাবি-দাওয়া পেশ করতে পারবেন না।
এসব ঘটবে দেশের আইনে বৈধ শরিয়তসিদ্ধ স্ত্রীর অজ্ঞাতে। যেহেতু স্ত্রীর অজ্ঞাতে ঘটবে তার অনুমতি গ্রহণের প্রশ্ন নিতান্তই অবান্তর। যে শর্তগুলোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে বিবেচনা করা যাক। কথিত চুক্তিভিত্তিক বিয়ের বিষয়টি প্রকৃত স্ত্রীর অজানা। কখনো সন্দিহান হয়ে প্রকৃত স্ত্রী যদি জিজ্ঞেসও করেন, তখন তার সঙ্গে ‘সীমিত পরিসরে’ মিথ্যে বললেও নাকি সমস্যা নেই। ‘সীমিত পরিসর’ কতটা সীমিত সে প্রশ্ন বরং থাকুক, মওলানা সীমিত পরিসরের মিথ্যেকে জায়েজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে ধর্মকেই সাক্ষী মেনেছেন এবং ধর্মের অনুমোদন রয়েছে বলে জানিয়েছেন। প্রকৃত স্ত্রী তার মওলানা স্বামীর চুক্তিভিত্তিক বিয়ের গোপন সংবাদ অবহিত না থাকলেও স্বামী তাকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন তিনি বিষয়টি জানেন বলে ঘোষণা দেন। স্বামীর নির্দেশ অমান্য করার ‘গোনাহ’ হয়তো তিনি করবেন না ধরেই নেওয়া যাক, তিনি যে মারাত্মক প্রতারণার শিকার হয়েছেন, ভীষণ মানসিক কষ্ট পেয়েছেন এটাও স্বীকার করে নিতে হবে।
চুক্তিভিত্তিক দ্বিতীয় স্ত্রীর কাহিনী জানাজানি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে, চুক্তিভিত্তিক
তৃতীয় স্ত্রীও আবির্ভূত হলেন এবং মওলানা তার শর্তসাপেক্ষে স্ত্রীর কথা স্বীকারও করলেন। চুক্তিভিত্তিক তৃতীয় স্ত্রীর সঙ্গে একটি চুক্তিনামার কথা জানা যায় যা এই স্ত্রীর ভাই দেখেছেন বলে গণমাধ্যমে জানিয়েছেন। চুক্তিভিত্তিক তৃতীয় স্ত্রীর কথা কি দ্বিতীয় স্ত্রী জানতেন? চুক্তিভিত্তিক সতিনের কথা যদি তিনি না জেনে থাকেন তাহলে তিনিও কি সীমিত পরিসরে প্রতারণার শিকার হননি? এসব প্রশ্নের উত্তর আলেম সম্প্রদায় সুস্পষ্টভাবে জানালে তাদের অবস্থান যেমন স্পষ্ট হতো, তাদের সম্পর্কে অধিকতর আস্থাবান হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হতো। বাংলাদেশ ভূ-খ-ে স্থায়ী নাগরিক হিসেবে বসবাসের প্রথম শর্তই রাষ্ট্রের সংবিধান এবং রাষ্ট্রীয় আইন মান্য করা। এখানে মতদ্বৈধতার সুযোগ নেই। দ্বিমত পোষণ করার এবং পরিবর্তন করারও সুযোগ রয়েছে কিন্তু তা হতে হবে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় এবং সংবিধান প্রদর্শিত পন্থায়। এমনকি সংবিধানের এক বা একাধিক অনুচ্ছেদের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করলে পর্যাপ্ত ম্যান্ডেট নিয়ে তাও পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে।
কিন্তু ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দেখিয়ে কারও চুক্তিভিত্তিক বিয়ের কোনো সুযোগ নেই। শর্তসাপেক্ষে একাধিক বিয়ের সুযোগ এই আইনেও আছে, শর্ত বা শর্তসমূহ অমান্য করলে দ-েরও বিধান রয়েছে। বিয়ের দেনমোহর থাকবে, সাক্ষী থাকবে, সরকার নির্ধারণকৃত ছকে কাবিন লিখিত হতে হবে এবং তা নিবন্ধিত হতে হবে। তার আগে কাউকে নির্দিষ্ট কারও স্ত্রী বা স্বামী বলার সুযোগ নেই। ‘স্ত্রী হিসেবে থাকবেন কিন্তু স্ত্রীর মর্যাদা পাবেন না’ তাহলে কীসের মর্যাদা পাবেন। এমনকি বাড়ির গৃহকর্মী, দ্বাররক্ষক, সবারই স্ব স্ব মর্যাদা রয়েছে। চুক্তিভিত্তিক স্ত্রী কি রক্ষিতা? একসময় এই বাংলাতেই জমিদার জোতদার ও বাবুদের রক্ষিতা অনেকাংশেই সমাজ স্বীকৃত ছিল, ফ্রান্সে একালেও প্রধানমন্ত্রী, প্রেসিডেন্ট প্রমুখের মিসট্রেস বা রক্ষিতার সংবাদ গণমাধ্যমে আসে, তাদের কারও কারও সন্তান-সন্ততিও জন্মগ্রহণ করে, যেহেতু তা বিয়ে পর্যন্ত গড়াচ্ছে না, বলছেন না জোসেফিন আমার চুক্তিভিত্তিক স্ত্রী কিংবা জোসেফিন এগিয়ে এসে দাবি করছে না যে সালভাদর আমার চুক্তিভিত্তিক স্বামী এ জন্য সমস্যা হচ্ছে না। ভোগের বিষয় যতক্ষণ না সমাজের শেকড়ে টান দেয় সাধারণ মানুষের কেউই তা জানতে আগ্রহী হয়ে ওঠে না। কিন্তু মওলানা যখন আইনের সমর্থনহীন কাজকে ধর্মীয় আইনের দোহাই দিয়ে যৌক্তিক করে তুলতে চেষ্টা করেন এবং ধর্মবেত্তারা চুপচাপ থাকেন (কারণ তারা জানেন রাষ্ট্র পরিচালকরা অধিকতর বৈধতা লাভের জন্য তাদের তোয়াজ করে থাকেন) তখন প্রশ্ন জাগে তাহলে প্রতারণামূলক সম্ভোগ প্রতিষ্ঠিত করতে কি ধর্মকে ব্যবহার করা হচ্ছে? চুক্তির অদ্ভুত একটি শর্ত হচ্ছে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস করা যাবে এবং স্বামীর সন্তান গর্ভে ধারণ করা যাবে না, এটি তো প্রতারণা ও নির্মমতার চরম উদাহরণ। ষাটের দশকে তখনকার পূর্ব পাকিস্তান যখন পরিবার পরিকল্পনা প্রচারণা শুরু হয় এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী বিতরণ চলতে থাকে, এর চরম বিরোধিতা করেন ধর্মীয় নেতারা। আর এ সময়ে এসে দেখতে পাচ্ছি তাদেরই একজন প্রতিনিধি, আধুনিকতায় ধনাঢ্য অভিজাতদেরও ছাড়িয়ে গেছেন তিনি সম্ভোগ অব্যাহত রাখবেন কিন্তু সন্তান যাতে জন্মগ্রহণ না করতে পারে সে জন্য যত ধরনের প্রক্রিয়া আছে তাও অবলম্বন করবেন কিংবা করাতে বাধ্য করবেন। স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস করবেন কিন্তু স্ত্রী তার মর্যাদা পাবেন না, সম্পদের ন্যায্য অংশীদার হবেন না ভোগক্লান্ত হয়ে এক সময় তাকে ছুড়ে ফেলবেন এটা তো ধর্মের শিক্ষা হতে পারে না। দ্বিতীয় ও তৃতীয় উভয় স্ত্রীর নামই জান্নাত। যদি শরিয়াহ আইনও অনুসরণ করা হয় এবং অপরাধটি জেনাহ বা জেনাহর সমতুল্য কিছু বলে সাব্যস্ত হয় তার দ- ১৮৬০ সালের দ-বিধি নির্ধারিত দ-ের চেয়ে অনেক বেশি। একই ধরনের অপরাধে ধর্মাঙ্গনের আরও একজন নেতা আইনে সমর্পিত হয়েছেন। এই দুই জান্নাতের কেউ কাজির মুখোমুখি হননি, কাবিনের নীল পাতার বালাম বই স্বাক্ষর করেননি।
আমি তৃতীয় একজন জান্নাতুল ফেরদৌসকে জানি, আনুষ্ঠানিকভাবে সেজেগুজে অপেক্ষা করেছেন, তার বর কাজি, সাক্ষী, বালাম বই সব নিয়ে হাজির হয়েছেন, বিয়ে হয়েছে, মোনাজাত হয়েছে, নবদম্পতির সুখ সমৃদ্ধি ও সুসন্তানের জন্মলাভের জন্য দোয়া করা হয়েছে। তারপর এই দম্পতি হানিমুনে মালয়েশিয়া দুসপ্তাহ কাটিয়ে দেশে ফিরেছেন। ব্যয়ের একটি অংশ এই নারীই বহন করেছেন। দেশে ফেরার দু’সপ্তাহের মধ্যেই জান্নাত বুঝতে পারেন একটা বড় ভুল হয়ে গেছে। তিনি কাবিন তুলতে কাজি অফিসে যান এবং জানতে পারেন সেই নির্ধারিত তারিখেই নয়, তার আগে পিছে দু’মাসের মধ্যেও জান্নাতুল ফেরদৌস নামের কোনো নারীর বিয়ে তারা পড়াননি। পুরো ব্যাপারাটাই ছিল সাজানো প্রতারণা। তৃতীয় জান্নাত কার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন? তার সেই দু’সপ্তাহের স্বামী দেশেও নেই। এই দুই জান্নাতের ভাগ্য তৃতীয় জান্নাতের চেয়ে ভালো, তাদের চুক্তিভিত্তিক স্বামী দেশেই আছেন।
শতবর্ষপূর্ব বাংলার আলেম রোগটি ঠিকই শনাক্ত করেছিলেন : ইন্দ্রিয়াসক্ততা।
এই নিবন্ধটির একটি সাধারণ লক্ষ্য রয়েছে : সহজ ভাষায় লেখা নারীর অধিকার ও নারী বিষয়ক আইন সব স্কুল এবং মাদ্রাসায় পাঠ্য করা হোক। কেবল গার্লস স্কুল বা মহিলা মাদ্রাসায় নয়, সবগুলোতেই।
লেখক সরকারের সাবেক কর্মকর্তা ও কলামনিস্ট