চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে আসা ৩৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১২ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।
শ্রীমঙ্গল স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, চাঁপাই এলাকা থেকে আগত ৩৪ জনসহ মোট ৪৮ জনকে পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে চাঁপাইয়ের ৩৪ জনের মধ্যে ১২ জন এবং স্থানীয় অন্যান্যদের মধ্যে ২ জনকে পজিটিভ পাওয়া গেছে।
শুক্রবার রাতে শ্রীমঙ্গলের সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, থানার ওসি (অপারেশন) চাঁপাই থেকে আসা করোনা শনাক্ত রোগীদের বাসা লকডাউন করেন।
তিনি বলেন, যেহেতু লোকজন লুকিয়ে বা বিভিন্ন বাহানায় এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যাতায়াত করছে এমতাবস্থায় নতুনদের আইসোলেশনে থেকে পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া উচিৎ।
প্রসঙ্গত, ‘সংক্রমণ এলাকা চাঁপাইনবাবগঞ্জের শতাধিক নাগরিক শ্রীমঙ্গলসহ সিলেটে!’ এই শিরোনামে একটি সংবাদ গত ২৪ মে রাতে প্রকাশিত হলে স্থানীয় প্রশাসন তাদের নমুনা সংগ্রহের অভিযান চালায়। পরে উল্লেখিতদের সনাক্ত করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে বাসাবাড়িতে থেকে লকডাউন মেনে চলতে বলা হয়েছে এবং স্থানীয়দের এ ব্যাপারে সতর্ক থাকার কথা বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনা সংক্রমণ হার যখন ৫৫ শতাংশের অধিক তখন এক সপ্তাহের লকডাউন ঘোষণা প্রদান করে সেখানকার জেলা প্রশাসন। পরিস্থিতির আগাম সংবাদে শতাধিক নাগরিক শ্রীমঙ্গলসহ সিলেটের বিভিন্ন জেলা উপজেলায় আম পরিবহন যানবাহন ও অন্যান্য মাধ্যমে প্রবেশ করেছে বলে স্থানীয় বিভিন্ন সুত্রে সংবাদ পাওয়া যায়।
এর মধ্যে ২৪ মে সোমবারে ৩০ জনের মতো চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাসিন্দা শ্রীমঙ্গলে প্রবেশ করে শহরের শাহিবাগ, শান্তিবাগ, সিন্দুরখান রোডসহ বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় ভাড়াটিয়া বাসায় উঠেছে বলে নুরুল আলম নামে এক ব্যক্তি স্থানীয় সংবাদকর্মীদের জানান। পরে শ্রীমঙ্গল প্রশাসন উপজেলা তাদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠালে অনেকেরই করোনা শনাক্ত হয়।
