খুঁড়িয়ে চলছে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যসেবা

আপডেট : ০৭ জুলাই ২০২১, ০৪:২২ পিএম

শুধু কাগজে কলমে আর নামেই ৫০ শয্যা বিশিষ্ট টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না থাকায় এখানে ৫০ শয্যার জনবল পোস্টিং দেয়া হচ্ছে না। ফলে খুঁড়িয়ে চলছে এ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিকিৎসা সেবা।

উপজেলাবাসী বঞ্চিত হচ্ছে কাঙ্খিত সেবা থেকে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক্স-রে ও আল্ট্রা মেশিন নেই। নেই কোনো টেকনিশিয়ানও। মান্ধাত্মা আমলের (এনালগ) এক্স-রে মেশিন দীর্ঘ ৮ মাস ধরে অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে। এক্স-রে মেশিন না থাকায় এখানকার টেকনিশিয়ান গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেপুটেশনে কাজ করছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

জানা যায়, প্রয়োজনীয় অবোকাঠামো নির্মাণের পর ২০১৪ সালের ২৪ জুলাই নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত হয়। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর থেকে ৭ বছর অতিবাহিত হলেও এখনও ৫০ শয্যার পূর্ণতা পায়নি। নতুন করে পোস্টিং দেয়া হয়নি কোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তার। নেই গাইনি সার্জন। বহু বছর ধরে এখানে অ্যানেসথেসিয়া (অজ্ঞানকারক) ডাক্তার নেই। নেই কোনো আল্ট্রা মেশিন।

৫০ শয্যার হাসপাতালে ৩১ শয্যার জনবল দিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে চিকিৎসা কার্যক্রম। এতে চরম দুর্ভোগ আর সীমাহীন ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ রোগীরা।

এছাড়া পরিচ্ছন্নতাকর্মীর স্বল্পতা থাকায় হাসপাতালের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, ডিজিটাল এক্স-রে মেশিনের চাহিদা দেয়া আছে। উপজেলা হেলথ কেয়ার (ইউএইচসি) থেকে এই মূহুর্তে ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন দেয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন।

তবে একটি এনালগ মেশিন দ্রুত পাওয়া যাবে। ডিজিটাল যুগে এনালগ মেশিনে পরীক্ষা সঠিক রোগ নির্ণয় রির্পোট পাওয়া যাবে কিনা এমন প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডা. রোকনুজ্জান বলেন, একটি নতুন এনালগ এক্স-রে মেশিন সহসা পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অনুকূলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারসহ প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত