বাগেরহাটে কঠোর লকডাউনের মধ্যে অকারণে বাইরে ঘোরাঘুরি ও স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ৮৫০ জনকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মামলা করে ৮২৬টি। একই সময়ে ২০ জনকে কারাদণ্ড দেয় আদালত।
এদের কাছ থেকে চার লাখ টাকার উপরে আদায় করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
গত ৯ দিনে ১৪টি ভ্রাম্যমাণ আদালত জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কারাদণ্ড ও জরিমানা করে।
এদিকে, কঠোর লকডাউনে বাগেরহাটে দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। রাস্তাঘাট ফাঁকা। গুরুত্বপূর্ণ সড়কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তল্লাশি চৌকি। পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র্যাব রাস্তায় টহল দিচ্ছে।
বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মাজাহেরুল হক বলেন, বাগেরহাটে সংক্রমণের হার অনেক বেশি। এটাই এখানকার মানুষ উপলব্দি করতে পারছে না। আমরা জনগণকে বোঝাচ্ছি। যারা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না তাদের আমরা দণ্ড ও জরিমানা করছি। লকডাউন বাস্তবায়ন করতে জেলা প্রশাসনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
বাগেরহাটের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) আজিজুল কবির বলেন, বাগেরহাটে সম্প্রতি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। সংক্রমণ রোধে লকডাউনের আগে থেকেই এখানকার বাসিন্দাদের নানাভাবে সচেতন করার চেষ্টা চলছে।
প্রতিদিন মাইকিং করে জনগনকে সচেতন করা হচ্ছে। বারবার সতর্ক করার পরেও কিছু মানুষ সরকারের আদেশ নির্দেশ অমান্য করে অযথা বাইরে ঘোরাঘুরি করছেন। প্রশাসনের নির্দেশনা না মেনে যারা বাইরে আসছেন তাদের আমরা আইনে আওতায় আনতে বাধ্য হয়েছি। তাই এই আদালতগুলো জেলার বিভিন্ন এলাকায় লকডাউনের মধ্যে অকারণে বাইরে ঘোরাঘুরির করার দায়ে ২০ জনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে। একই সময়ে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় গত ৯ দিনে ৮৫০ জনের কাছ থেকে চার লাখ টাকার উপরে আদায় করা হয়েছে।
