টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে শুরু হয়েছে চীনের সিনোফার্মার কভিড-১৯ টিকাদান কর্মসূচি। এতে টিকাকেন্দ্রে দেখা গেছে উপচেপড়া ভিড়। নির্ধারিত ২৫০ জনকে টিকা নেওয়ার জন্য ডাকা হলেও মেসেজ না পেয়েও কয়েকগুণ বেশি মানুষ টিকা নিতে ভিড় করছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স টিকাদান কেন্দ্রে। ফলে টিকাকেন্দ্রে ভেঙে পড়ছে স্বাস্থ্যবিধি। ভিড়ের মধ্যেই অনেকে গাদাগাদি করে টিকা নিচ্ছে। টিকা নিতে আসা অনেকের মুখেই ছিল না মাস্ক।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, মির্জাপুরে চীনের সিনোফার্মার ৭ হাজার ২০০ ডোজ টিকা এসেছে। ৩ হাজার ৬০০ জনকে প্রথম ডোজ দিয়ে বাকি অর্ধেকটা এদের দ্বিতীয় ডোজের জন্য রাখা হবে। ১২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া টিকাদান কর্মসূচি মজুদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত চলবে।
গতকাল বুধবার সকালে সরেজমিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স টিকাদান কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, টিকা নিতে বেশ লম্বা লাইন। কয়েকশ নারী-পুরুষ টিকার জন্য অপেক্ষা করছিল। পরে লাইন ভেঙে গাদাগাদি করে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করলে কর্তব্যরত আনসার সদস্যদের সঙ্গে বাগ্বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে টিকা নিতে আসা অনেকেই। এ সময় টিকাপ্রার্থীদের সঙ্গে আনসার সদস্যদের ধস্তাধস্তিও হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অপেক্ষার প্রায় এক ঘণ্টা পর টিকা পেয়েছেন পোষ্টকামুরী গ্রামের শফিকুল ইসলাম রিপন ও গোড়াইল গ্রামের শামীম। তারা বলেন, ‘এক ঘণ্টা রৌদে দাঁড়িয়ে ছিলাম। অনেক গরম ও মানুষের ভিড়। সবার মধ্যে আগে যাওয়ার প্রতিযোগিতা। যে কারণে স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই টিকা নিতে হচ্ছে।’
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাকসুদা খানম বলেন, যা ডাকা হয় তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি আসছে টিকা নিতে। প্রচন্ড ভিড়ে স্বাস্থ্যবিধি বিঘ্নিত হচ্ছে।
