টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী ছাড়াই চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসকরা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ৮টি উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মাধ্যমে প্রান্তিক পর্যায়ে চিকিৎসাসেবা প্রদান করে যাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। প্রতিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে মাসে প্রায় দেড় হাজার রোগী বিভিন্ন রোগের চিকিৎসাসেবা নেন।
সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার বাংড়া উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকের সুরক্ষা সামগ্রী বলতে কেবল মুখে একটি মাস্ক ছাড়া আর কিছু নেই। চিকিৎসা নিতে আসা অধিকাংশ রোগী ও স্বজনদের মুখেই মাস্ক নেই। অনেকটা ঝুঁকি নিয়েই তারা চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন।
উপজেলার বাংড়া উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ডা. প্রণয় চন্দ্র দাস বলেন, ‘প্রান্তিক জনসাধারণকে আমরাই প্রথমে চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকি। আগতদের মধ্যে করোনা আক্রান্ত রোগীও থাকতে পারেন। আমাদের হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক ও পিপিই কোনোটাই সরবরাহ করা হয়নি। মাস্কটিও ব্যক্তিগত টাকায় কেনা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই করোনাকালীন কোনো প্রকার সুরক্ষা সামগ্রী ছাড়াই দায়িত্ব পালন করছি।’
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. উম্মে রুমান সিদ্দিকী বলেন, ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রীর স্বল্পতার কারণে আমরা সবাইকে সরবরাহ করতে পারিনি। এ জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আমরা চাহিদা জানিয়েছি।’ যদিও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাস্ক ও পিপিই প্রচুর পরিমাণে মজুদ রয়েছে বলে জানা গেছে। সাংবাদিকরা এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে এই কর্মকর্তা নীরব থাকেন।
