দেড় যুগেও সংস্কার হয়নি রাস্তা, ১৮ হাজার মানুষের দুর্ভোগ

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৯:২৮ পিএম

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার দেশিগ্রাম ইউনিয়নের আদিবাসী অধ্যুষিত গুড়মা-ক্ষীরশীন সাড়ে ৩ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক দেড় যুগ ধরে পাকা না হওয়ায় বেহাল দশা। এতে পাঁচ গ্রামের ১৮ হাজার মানুষকে যাতায়াতে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই এ সড়কে হাটু পরিমাণ কাঁদা পানি জমে চলাচলের অযোগ্য হয়ে যায়।

এ বিষয়ে ক্ষীরশীন গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি হরেন্দ্রনাথ মাতাতো বলেন, প্রায় এক যুগ আগে এ রাস্তায় মাটির কাজ করা হয়। এরপর দেড় যুগেও রাস্তাটি পাকাকরণ তো দূরে থাক কোনো ধরনের সংস্কারও করা হয়নি। ফলে রাস্তার মাঝে বড় বড় গর্ত আর খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এ সব খানাখন্দে কাঁদা পানি জমে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াতে বেশি দূর্ভোগে পড়তে হয়।

এ বিষয়ে গুড়মা গ্রামের কৃষক চান্দু প্রামানিক বলেন, রাস্তাটি দিয়ে কোনো যানবাহণ না চলায় পায়ে হেঁটে যাতায়াত করতে হয়। এই রাস্তা দিয়ে ক্ষীরশীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শিলংদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিন শতাধিক শিক্ষার্থী যাতায়াত করে। এ ছাড়া কৃষকদের মাঠের ফসল ঘরে তুলতে ও হাট-বাজারে নিতে খুবই কষ্ট হয়।

এ বিষয়ে শিলংদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. খলিলুর রহমান বলেন, অল্প একটু বৃষ্টি হলেই এ রাস্তায় হাটু পানি জমে কাঁদায় পরিণত হয়। রাস্তা খারাপ হওয়ার কারণে অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে নিয়মিত আসে না।

এ বিষয়ে দেশিগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কুদ্দুস বলেন, এ রাস্তাটি পাঁচ গ্রামের জনগণের যাতায়াতের জন্য অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ। তাই দ্রুত এ রাস্তাটি পাকাকরণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশলী মো. আবু সায়েদ বলেন, গুড়মা-ক্ষীরশীন সাড়ে ৩ কিলোমিটার রাস্তার ৪৫০ মিটার পাকাকরণের কাজ দ্রুত শুরু করা হবে। এর জন্য ইতোমধ্যেই টেন্ডার শেষ করা হয়েছে। বাকি রাস্তা পাকাকরণ কাজের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, প্রস্তাব পাশ হলে পর্যায়ক্রমে রাস্তাটি পাকাকরণ করা হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত