বিয়েতে মাংস খাওয়া নিয়ে সংঘর্ষে নববধূকে তালাকের পর বিয়ে

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৫৩ পিএম

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস বেশি খাওয়ায় বরপক্ষের লোকজনকে মারধর করার কারণে নববধূকে তালাক দেয়ার পর আবারও বিয়ে করেছেন বর। রবিবার বিয়ের রাতেই বর ও কনের বিয়ে বিচ্ছেদ হলেও সোমবার পরিবারের সিদ্ধান্তে আবারও তাদের বিয়ে হয়।

এর আগে রবিবার চুয়াডাঙ্গার সদর উপজেলার বদরগঞ্জ দশমি পাড়ার রহিম আলীর ছেলে সবুজের সঙ্গে একই এলাকার নজরুল ইসলামের মেয়ে সুমি খাতুনের বিয়ের অনুষ্ঠান হয়।

জানা গেছে, বিয়ের দিন সন্ধ্যায় বরপক্ষের লোকজনকে খেতে দেয়া হয়। বর সবুজের সঙ্গে খেতে বসে তার বন্ধুসহ আত্মীয়-স্বজন। খাওয়া শেষ হওয়ার মুহূর্তে বরপক্ষের লোকজন মাংস চাইলে কনে পক্ষের লোকজন দিতে না চাইলে উভয়ের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হলে কনে পক্ষের লোকজন বরপক্ষের ৩ জনকে লাঠি দিয়ে মারধর করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী গ্রামের মিঠু মিয়া জানায়, বরপক্ষের লোকজন ভাত না খেয়ে বারবার শুধু মাংস চাচ্ছিলেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মারামারি হয়। পরে বিয়ের রাতেই অনুষ্ঠানে বরপক্ষের লোকজনকে মারধর করার কারণে নববধূকে তালাক দিয়েছেন বর।

কুতুবপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলী আহম্মেদ হাসানুজ্জামান বলেন, বিয়ে বাড়িতে বারবার মাংস চাওয়ায় কনেপক্ষের লোকজন বরপক্ষের তিনজনকে পিটিয়েছেন। ওই দিন রাতেই দুই পক্ষের উপস্থিতিতে বিয়েবিচ্ছেদ ঘটে। পরদিন সোমবার কোনো একসময় নববধূ সঙ্গে সবুজের আবারও বিয়ে হয় ।

উল্লেখ্য ঝিনাইদহের হলিধানি গ্রামের রহিম আলীর ছেলে প্রবাসী সবুজের সঙ্গে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বদরগঞ্জ দশমি পাড়ার এক তরুণীর মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০১৯ সালে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়। সম্প্রতি সবুজ দেশে ফিরলে রবিবার আনুষ্ঠানিকতা শেষে নববধূকে তুলে নেওয়ার কথা ছিল।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত