হঠাৎই কৃষক জ্ঞানেশ্বরের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১৫ লাখ টাকা ঢুকে যায়। তিনি ভেবেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছেন।
তাই অ্যাকাউন্টে আসা সেই টাকা দিয়ে একটি বাড়ি বানান জ্ঞানেশ্বর। কিন্তু ৬ মাস পর ব্যাংক জানাল, ভুল করে তার অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে অন্য কাউকে পাঠানো টাকা।
টাকা ফেরতের ভাবনায় এখন ঘুম নেই ভারতের মহারাষ্ট্রের অওরঙ্গাবাদের ওই কৃষকের।
আনন্দবাজার জানায়, গত বছরের আগস্টে নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আচমকাই ১৫ লাখ টাকা জমা পড়তে দেখে চোখ কপালে উঠেছিল জ্ঞানেশ্বরের। ভেবেছিলেন, ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটের আগে প্রত্যেককে ১৫ লাখ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি অবশেষে পূরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। খুশিতে মোদীকে ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠিও পাঠিয়েছিলেন।
তারপর তার অ্যাকাউন্টে জমা পড়া টাকা থেকে ৯ লাখ টাকা তুলে নিজের বাড়ি তৈরি করান জ্ঞানেশ্বর। মাস ছয়েক পর একদিন তার হাতে আসে ব্যাংকের চিঠি।
তাতে লেখা, ‘৬ মাস আগে ভুল করে আপনার ব্যাংকের খাতায় বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা পড়েছিল। ওই টাকা দ্রুত ফেরতের ব্যবস্থা করুন।’
চিঠি পেয়ে জ্ঞান হারানোর দশা জ্ঞানেশ্বরের! তিনি বলেন, ‘‘মোদীজি পাঠিয়েছেন ভেবেই আমি সন্দেহ করিনি। এত দিনে ওই টাকায় বাড়ি তৈরি করিয়েছি। এখন শুনছি উন্নয়নের জন্য ওই টাকা পঞ্চায়েতকে পাঠানো হয়েছিল। ভুল করে তা চলে আসে আমার খাতায়। এখন আমি কী করব!’
নতুন বাড়িতে বসে জ্ঞানেশ্বরের আক্ষেপ, ‘৯ লাখ খরচ হয়ে গিয়েছে। বাকি ৬ লাখ ছিল, তা ফিরিয়ে দিয়েছি। এখন ৯ লাখ টাকা আমি কোথা থেকে পাই!’
