বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে বরিশাল সিটি করপোরেশনের ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কেফায়েত হোসেন রনির (৩৫) বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার দুপুরে ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী নিজে বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।
আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বিচারক মো. ইয়া রব হোসেন এই আদেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী হুমায়ুন কবির।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল সিটি করপোরেশনের ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও বৌ বাজার কসাই বাড়ির পুল এলাকার রফিকুল ইসলাম মঞ্জুর ছেলে কেফায়েত হোসেন রনির (৩৫) সঙ্গে নগরের হযরত কালুশাহ সড়ক এলাকার বাসিন্দা তরুণীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ হয়।
একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর বেশ কয়েকবার রনি তরুণীকে বাসায় ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এরপর গত ১২ মে পুনরায় ডেকে নিয়ে তরুণীর মোবাইলে থাকা তাদের ছবি ও ভিডিও ডিলিট ও মারধর করে ঘর থেকে বের করে দেন রনি। এ বিষয়ে কাউকে কিছু জানালে তরুণীকে হত্যারও হুমকি দেন।
এরপর গত ১৪ মে কেফায়েত হোসেন রনি বরিশাল কাউনিয়া থানায় ওই তরুণীর বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন।
পরে কাউনিয়া থানার এসআই জাহিদ তরুণীকে ফোন করে থানায় ডেকে নিলে তরুণীর কথা শুনে আদালতে মামলার পরামর্শ দেন।
অভিযোগের বিষয়ে কেফায়েত হোসেন রনি বলেন, ওই তরুণীকে আমি চিনি না। তার সঙ্গে আমার কোনো পরিচয়ই নেই। ১৫ রোজায় আমার কাছে এই ফোন আসে। সে আমাকে জানায় আমার বিয়ের জন্য বাসা থেকে মেয়ে দেখা হচ্ছে। আমি আপনাকে বিয়ে করতে চাই। এভাবে ওই তরুণী আমাকে ফোনে বিভিন্ন সময় হুমকি প্রদান করে আসছিল। আমি এ ঘটনায় কাউনিয়া থানায় একটি অভিযোগ করি। এরপরই ওই তরুণী আমার বিরুদ্ধে মামলা করে।
তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিকভাবে আমাকে হয়রানি করছে এই চক্র। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তদন্তের মাধ্যমে সবকিছুই পরিষ্কার হবে।
