দেশে তামাক খাত থেকে গত অর্থবছর ৩০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় করেছে সরকার। তাই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আনা প্রস্তাবগুলো আদৌ যৌক্তিক ও বাস্তবায়নযোগ্য কি না, তা আরও স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে তামাক আইন একটি বৈধ শিল্পের জন্য হুমকিস্বরূপ। প্রস্তাবিত আইনটি কার্যকর হলে এই খাতের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ৬০-৭০ লাখ মানুষ, সংশ্লিষ্ট নিম্ন ও মধ্যম আয়ের ব্যবসায়িক জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ সরাসরি হুমকির মুখে পড়বে।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে পলিসি ডায়লগ অ্যান্ড ইটস ইমপ্যাক্ট (টোব্যাকো অ্যান্ড লিংকেজ সেক্টর) শীর্ষক একটি পলিসি ডায়ালগ অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইপিএবি) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে একাডেমিক সেক্টরের বিশেষজ্ঞ, ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক ফোরামের নেতারা, বিভিন্ন শিল্প সেক্টরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও তামাক শিল্প খাতের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।
পলিসি ডায়লগে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও অর্থনীতিবিদ ড. হারুনুর রাশিদ বলেন, তামাক উৎপাদন বাংলাদেশে ২৫০ বছর আগে শুরু হয়। একটি অর্থকরী ফসল হিসেবে আকর্ষণীয় পণ্য হিসেবেই এটি বিবেচিত ছিল। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরেও এ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরেন ইনভেস্টর্স চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাহী পরিচালক টি আই এম নুরুল কবির, রবির চিফ করপোরেট ও রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার ব্যারিস্টার সাহেদ আলম, বাংলাদেশ ফেডারেল ইউনিয়ন অব জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফইউজে) সাধারণ সম্পাদক দীপ আজাদ প্রমুখ।
