দেশ রূপান্তরের মেকআপ প্রমাণ করে বার্তাকক্ষে দক্ষ নেতা ছিলেন: মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২২, ১১:১০ পিএম

নির্লোভ, পেশাদার সাংবাদিকতার অনন্য ব্যক্তিত্বের অধিকারী দেশ রূপান্তরের সম্পাদক অমিত হাবিব চলে গেলেন মাত্র ৫৯ বছরে। তার হাত ধরে বাংলাদেশে অনেক পেশাদার সাংবাদিক গড়ে উঠেছেন। আধুনিক, মননশীল, নির্মোহ পেশাদারির এবং নতুন যুগের সাংবাদিকতায় তিনি শিক্ষকের ভূমিকা পালন করেছেন। বেঁচে থাকলে দেশের গণমাধ্যমকে আরও অনেক কিছু দিতে পারতেন। তার এই অকালপ্রয়াণ দেশের গণমাধ্যম শিল্পের বড় ক্ষতি।

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও টিভি টুডের এডিটর ইন চিফ মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল দেশ রূপান্তরকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় অমিত হাবিবের তিনটি বিশেষ গুনের কথা উল্লেখ করে বলেন, একজন স্বল্পভাষী ভালো মানুষ, একজন ভালো ও উঁচু মানের সাংবাদিক এবং বার্তাকক্ষের একজন দক্ষ নেতা ছিলেন অমিত হাবিব।

তিনি বলেন, ‘তার এই হঠাৎ চলে যাওয়া ভালো সাংবাদিকতার জন্য একটা বড় ধরনের ধাক্কা। এ কারণে যে এখন সাংবাদিকতায় নানা ধরনের ভাঙন ও নৈতিক অবক্ষয় দেখি। তার মৃত্যুতে সাধারণ মানুষ ও তরুণ সাংবাদিকদের সামনে যাকে নিয়ে দাঁড়াতে পারি সেই জায়গাটাতে একটা শূন্যতা তৈরি হলো। তবে আমরা ভবিষ্যতে যখনই কোনো ভালো সাংবাদিকের দৃষ্টান্ত তুলে ধরতে চাইব তখন তার প্রসঙ্গ অবশ্যই আসবে।’ মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল আরো বলেন, ‘দীর্ঘ দিন ধরেই সংবাদপত্রগুলোতে বার্তাকক্ষে নেতৃত্বের শূন্যতা চলছে। নিউজ রুম লিডার বলতে যাদের বোঝাতে চাই সেরকম আমরা পাই না। এখানে ব্যতিক্রম ছিলেন অমিত হাবিব। দেশ রূপান্তরের শুরু থেকে যে গ্রাফিকস, ডিসপ্লে, মেকআপগুলো দেখেছি এটা প্রমাণ করে যে বার্তাকক্ষের একজন দক্ষ নেতা ছিলেন। এই জায়গাগুলোতে একটা শূন্যতা ও সংকট তৈরি হলো।’ 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত