টাঙ্গাইলের ১২ উপজেলার এক হাজার ২৮৯টি মণ্ডপে চলছে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি। দুর্গোৎসবকে সামনে রেখে মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ। প্রতিমা শিল্পীরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। জেলার মির্জাপুর উপজেলায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মণ্ডপে চলছে দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি।
টাঙ্গাইল সদরে ২২৯, দেলদুয়ার ১২৬, কালিহাতী ১৯০, ভূঞাপুর ৪০, বাসাইল ৬৫, মধুপুর ৫০, মির্জাপুর ২৪০, ঘাটাইল ৮১, ধনবাড়ি ৩২, গোপালপুর ৫০, সখীপুর ৫৪ এবং নাগরপুর উপজেলায় ১৩২টি পূজামণ্ডপে চলছে দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি।
মির্জাপুর উপজেলার আন্ধরা গ্রামের উত্তম কুমার সাহা বলেন, টাঙ্গাইলে দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার নিজ বাড়ির পূজামণ্ডপটি সর্বাধিক আলোচিত হলেও রশিক ভবনের পূজামণ্ডপেরও রয়েছে ঐতিহ্য। এখন প্রতিমা তৈরির কাজ চলছে। গত দুই বছরের করোনা মহামারি কাটিয়ে এবছর আড়ম্বর পরিবেশে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ কুমার গুন বলেন, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সঙ্গে বৈঠকে আমরা বিভিন্ন দাবি করেছি। প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এবছর প্রশাসনের সহায়তায় দুর্গাপূজা আড়ম্বর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি মনে করেন।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজায় প্রতিবছরের ন্যায় এবারও পুলিশের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। প্রতিটি পূজামণ্ডপে আনসার সদস্যরা ডিউটিটতে থাকবে এবং গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপে পুলিশ থাকবে।
পূজা কমিটিকে মণ্ডপগুলো পূজা চলাকালীন সময় সিসি ক্যামেরার আওতায় আনতে বলা হয়েছে। এছাড়া পুলিশের মোবাইল টিম কাজ করবে বলে তিনি জানান।
