দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমানের স্বাক্ষর ও সিল জাল করে যশোরের জেলা প্রশাসককে চিঠি পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশ ইউনাইটেড ইসলামী পার্টির চেয়ারম্যান মাওলানা ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে। তিনি যশোরের দারুস সুন্নাহ আজিজিয়া মাদ্রাসায় তিন টন চাল বরাদ্দের জন্য ওই জালিয়াতি করেন বলে ইতিমধ্যে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তে প্রমাণও মিলেছে। গতকাল বুধবার গাজীপুর মহানগরীর বোর্ড বাজার এলাকায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান যশোরের ওই মাদ্রাসাটির পরিচালক মাওলানা আজিজুর রহমান বুলবুলি।
তিনি আরও জানান, জালিয়াতির ওই ঘটনা জানার পর মাওলানা ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে যশোরের আদালতে মামলা করেন। এরপর আদালতের নির্দেশে পিবিআই পরিদর্শক এ কে এম ফসিহুর রহমান তদন্ত করে মাওলানা ইসমাইল হোসেনকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। আজিজুর রহমান বুলবুলি অভিযোগ করে বলেন, ধারের টাকা পরিশোধের জন্য বারবার তাগাদা দিলেও টাকা না দিয়ে টালবাহানা করতে থাকেন ইসমাইল হোসেন। এমন পরিস্থিতিতে তার প্রতিষ্ঠিত দারুস সুন্নাহ আজিজিয়া মাদ্রাসার নামে তিন টন চাল বরাদ্দ হয়েছে বলে মাওলানা ইসমাইল হোসেন মোবাইল ফোনে কল করে তাকে জানান। আর বরাদ্দের ওই চাল ছাড়ের জন্য ২০ হাজার টাকাও দাবি করেন। পরে তিনি যশোরের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখায় গিয়ে জানতে পারেন, তার মাদ্রাসার নামে চাল বরাদ্দের যে চিঠিটি সেখানে পাঠানো হয়েছে তা সম্পূর্ণ জাল। এতে প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমানের স্বাক্ষর ও সিল জাল করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি জেলা প্রশাসনের পরামর্শে যশোরের আদালতে মামলা করেন।
