পটুয়াখালীতে বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি ঢুকে প্লাবিত অর্ধশত গ্রাম

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২২, ০২:৪৭ পিএম

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে সোমবার মধ্যরাত থেকে মঙ্গলবার মধ্যরাত পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার টানা বৃষ্টিতে ক্ষতির মুখে পড়েছে পটুয়াখালীর আমন এবং সবজির ক্ষেত।

দ্রুত এসব আবাদি জমির পানি নিষ্কাশন না হলে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে জেলার কৃষি।

সিডরে বিধ্বস্ত বেড়িবাঁধ দিয়ে ৩-৪ ফুট উচ্চতার অস্বাভাবিক জোয়ের পানি প্রবেশ করে প্লাবিত হয়েছে কলাপাড়ার লালুয়া ও চম্পাপুর এবং রাঙ্গাবালী চরমোন্তাজ ইউনিয়নসহ বাউফল ও দশমিনার অর্ধশতাধিক গ্রাম।

ভেসে গেছে প্রায় দু’শতাধিক পুকুর-ঘেরের মাছ।

ঝুঁকির মুখে পড়েছে সদ্য নির্মিত মহিপুরের নিজামপুরের বেড়িবাঁধ। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অর্ধশতাধিক কাঁচা ঘরবাড়ি। ভেঙে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা। রাতের জোয়ারে কুয়াকাটা সৈকতের কয়েকটি ভাসমান দোকান ভেসে যাওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতার।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনসহ সহায়তা দেয়া হবে।

এদিকে সোমবার মধ্যরাত থেকে বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে পল্লী বিদ্যুতের আওতাধীন জেলার ৮টি উপজেলা। এর ফলে দুটি দিন (সোমবার মধ্যরাত থেকে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে নয়টা পর্যন্ত) বিদ্যুৎহীন ও রাতে অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে থাকে পুরো জেলার শহর থেকে গ্রামীণ জনপদ। বন্ধ হয়ে যায় পানি সরবরাহ।

সব কয়টি কোম্পানির মোবাইল সার্ভিসে দেখা দেয় চরম সমস্যা। অনেক এলাকা বিচ্ছিন্ন হয়ে মোবাইল সার্ভিস থেকে।

পটুয়াখালী পল্লিবিদ্যুৎ সমিতির কলাপাড়া জোনাল অফিসের ডিজিএম বলেন, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে প্রবল বৃষ্টি ও দমকা বাতাসের কারণে ৩৩ ও ১১ কেভি লাইনের বিভিন্ন অংশে গাছ ভেঙে পড়েছে। এ কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। বৃষ্টি ও ঝড় উপেক্ষা করে আমরাদের দক্ষ টেকনিশিয়ানরা লাইন চালুর জন্য কাজ করেছেন।  

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত