দেশে খাদ্য ঘাটতি ও দুর্ভিক্ষের শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, এবার প্রচুর পরিমাণ আমন শস্য উৎপাদন হয়েছে। ফলে দুর্ভিক্ষের কোনো শঙ্কা নেই। দেশে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য উৎপাদন হয়েছে। কোনো দুর্ভিক্ষ হবে না। খাদ্য সংকট হবে না। তবে ইউক্রেনের যুদ্ধ চলমান থাকলে মানুষের একটু কষ্ট হতে পারে। রাশিয়া-ইউক্রেন বিশ্বের বড় রপ্তানিকারক দেশ। তাদের যুদ্ধের প্রভাব হিসেবে প্রধানমন্ত্রী জনগণকে বারবার সতর্ক করছেন। বিশ্বের অর্থনৈতিক মন্দার পূর্বাভাস হিসেবেও আমাদের সতর্ক হতে হবে।
ইচ্ছা করলেই ১০ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটানো যাবে না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, হেফাজতও এমন বলে শাপলা চত্বরে অবস্থান নিয়েছিল। রাতের মধ্যেই আওয়ামীলীগ সরকারের পতন ঘটিয়েই ছাড়বে। কিন্তু আমরা রাতে দেখলাম শাপলা চত্বর পরিষ্কার হয়ে গেছে। ১০ ডিসেম্বর এরকম কিছু করতে চাইলে ওমন পরিষ্কার হয়ে যাবে।
মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার হৈবতপুর গ্রামে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকেন্দ্র উদ্বোধন এবং আমন ধান শস্য কর্তনের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
স্থানীয় কৃষিখাত নিয়ে মন্ত্রী বলেন, চুয়াডাঙ্গার কৃষি হবে বাংলাদেশের মডেল। আধুনিক, উন্নত এবং কৃষকের জন্য লাভজনক কৃষি অর্থকরী কৃষি। ফলমূল, শাক সবজিতে বিপ্লব ঘটবে চুয়াডাঙ্গায়।
এর আগে, তিনি দত্তনগর কৃষি খামার পরিদর্শন করেন। এছাড়া চুয়াডাঙ্গায় আয়োজিত নবান্ন উৎসব, কৃষক সমাবেশ ও কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজগার টগর, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব সায়েদুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজাদু্ল ইসলাম, পু্লিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান মনজু প্রমুখ।
