শাস্তির ভয়ে পছন্দের আর্মব্যান্ড পড়লেন না কেইন

আপডেট : ২১ নভেম্বর ২০২২, ০৭:৫২ পিএম

ইরানের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের ম্যাচটি নিয়ে রাজনৈতিক কারণেই আগ্রহ প্রবল। এই প্রথমবারের মতো ইরানের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নেমেছে ইংল্যান্ড। কিন্তু এই ম্যাচে রাজনৈতিক ব্যাপার ছাপিয়েও আলোচনায় সমকামিতা বিতর্ক।

ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেইন আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, সমকামিতাকে সমর্থন করে তৈরি বিশেষ আর্মব্যান্ড বাহুতে পরেই আজ মাঠে নামবেন।

কিন্তু শাস্তির ভয়ে আপাতত সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন কেইন। কেবল কেইন নন, সমকামিতাকে সমর্থন করে তৈরি আর্মব্যান্ড পরবেন না ইউরোপের কোনো অধিনায়কই।

কাতারে সমকামিতা গর্হিত অপরাধ হিসেবেই বিবেচিত। বিশ্বকাপের আগে এটি নিয়ে ইউরোপের বেশ কয়েকটি এলজিবিটি সংস্থা প্রতিবাদ জানিয়েছিল। নেদারল্যান্ডস, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, ডেনমার্ক, বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, সুইডেনের মতো দেশগুলো এলজিবিটি সংস্থাগুলোর প্রতিবাদের সঙ্গে একাত্ম।

ব্যাপারটির প্রতিবাদে বিশেষ একটি আর্মব্যান্ড সামনে এনেছে তারা। সেটির নাম ‘ওয়ান লাভ’। কেইন আজ ইরানের বিপক্ষে এই ‘ওয়ান লাভ’ আর্মব্যান্ডই পরতে চেয়েছিলেন।

আর ফিফা পুরো এই ‘ওয়ান লাভ’ আর্মব্যান্ড নিয়ে বেজায় বিরক্ত। বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা চায়, তাদের নির্ধারিত আর্মব্যান্ড পরেই মাঠে নামুন সব দেশের অধিনায়কেরা। ফিফা মনে করে, বিশ্বকাপ যে দেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সে দেশের আইন ও নিয়মনীতির প্রতি তারা অঙ্গীকারবদ্ধ।

ফিফা ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে (এফএ) ফিফা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নিয়মানুযায়ী ওই বিশেষ আর্মব্যান্ড পরতে পারবেন না কোনো অধিনায়ক। ফিফা যে আর্মব্যান্ড বানিয়েছে, সেটিতে ঐক্য ও সমতার বার্তা আছে। প্রতি রাউন্ডেই সেই আর্মব্যান্ডের স্লোগান পাল্টে যাবে। কিন্তু এর বাইরে ম্যাচে অন্য কিছু পরে নামা যাবে না। ইরানের বিপক্ষে যদি কেইন অন্য কোনো আর্মব্যান্ড পরেন, তাহলে অবশ্যই ম্যাচের আগে তাঁকে হলুদ কার্ড দেখানো হতে পারে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত